শারীরিক শিক্ষার মূলস্রোতে অন্তর্ভুক্তি: এই নীতির আওতায় শারীরিক শিক্ষাকে অন্যান্য মূল বিষয়ের মতোই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে এটি আনুষ্ঠানিক মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং প্রতিটি স্কুলে প্রশিক্ষিত শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।শিক্ষাক্রমের সঙ্গে সংহতি: স্কুলগুলিকে এখন থেকে খেলাধুলার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে নিয়মিত স্পোর্টস লিগ, প্রতিযোগিতা এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে, যা জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০ এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।দ্বৈত কেরিয়ারের জন্য সমর্থন: এই নীতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও পড়াশোনা উভয় ক্ষেত্রেই উৎকর্ষ সাধনে সহায়তা করবে। এর জন্য নমনীয় শেখার মডেল এবং খেলাধুলার সাফল্যের জন্য অ্যাকাডেমিক ক্রেডিট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।শৈশবেই প্রতিভা অন্বেষণ: স্কুল স্তর থেকেই প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করার জন্য একটি সুসংবদ্ধ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, যাতে তৃণমূল স্তর থেকে তাদের এলিট স্তরের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করা যায়।অবকাঠামো ও তহবিল: NSP 2025 স্কুলগুলিতে উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো নিশ্চিত করার পাশাপাশি সম্পদ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন সহযোগিতামূলক উদ্যোগকে উৎসাহিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও অনগ্রসর অঞ্চলে।
সার্বিক বিকাশ: খেলাধুলাকে মূলধারায় নিয়ে আসার ফলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক উভয় দিকের বিকাশ ঘটবে। এটি তাদের শারীরিক সক্ষমতা, দলগত কাজ, শৃঙ্খলা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করবে, যা অ্যাকাডেমিক এবং ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য অপরিহার্য।অংশগ্রহণ বৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তি: এই নীতি মেয়ে এবং প্রান্তিক গোষ্ঠী সহ সকল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর জোর দেয়, যা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্কুল পরিবেশ তৈরি করবে।আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন: শারীরিক সক্ষমতার জন্য কাঠামোগত মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসাহ দেবে এবং পরিমাপযোগ্য উন্নতির পথ প্রশস্ত করবে।
শিক্ষকের অভাব: বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় প্রশিক্ষিত শারীরিক শিক্ষার শিক্ষকের অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর জন্য জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।অবকাঠামোগত ব্যবধান: অনেক স্কুলেই খেলার উপযুক্ত সুবিধা নেই। তাই এই নীতির সাফল্য স্থানীয় স্তরে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করবে।সাংস্কৃতিক পরিবর্তন: খেলাধুলার চেয়ে অ্যাকাডেমিক বিষয়গুলিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার যে দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা রয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠা একটি বড় বাধা। এর জন্য ধারাবাহিক সচেতনতা প্রচার প্রয়োজন।