তিনি বলেন শুধুমাত্র ব্যাংক বাঁচানোর আন্দোলন করে সেটা কে রক্ষা করা যাবে না ,কারণ গোটা দেশের নিরিখে ব্যাংক কর্মীরা মাত্র ১১ লাখ সেখানে এই আন্দোলন মানুষের মনে রেখাপাত করতে পারবে না।তিনি জোর দেন দেশের সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্রে এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের সাথে নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।তবেই সফল হবে সরকারের নীতি বদলের আন্দোলন।তিনি অভিযোগ করেন দেশের সরকার এখন স্বৈরাচারী একদিকে ধর্মের নামে দেশ বিভাজন আরেকদিকে দেশের সম্পদ কর্পোরেট দের হাতে তুলে দিয়ে দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করার বিরুদ্ধে লাগাতার সংগ্রামের ডাক দিলেন ।
ব্যাংক মার্জার নিয়ে এক হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন , দেশ জুড়ে যে রাষ্ট্রায়ত্ব ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর মার্জার তা ভবিষ্যতের জন্য এক অশনি সংকেত।বর্তমানে যে বৃহৎ লোন গুলি ব্যাংকগুলোতে চলে তা কনসোর্টিয়াম এর মাধ্যমে অর্থাৎ বিভিন্ন ব্যাংক একসাথে সেই লোন গুলি র অর্থ যোগান দেয়।কিন্তু মার্জারের ফলে ব্যাংকগুলোর একক ভাবে লোন দেওয়ার সামর্থ্য বাড়বে সেই সঙ্গে চাপ পড়বে ব্যাংকগুলোর ব্যালেনসিটের উপর।কোনো লোন আদায় না হলে সেই ব্যাংক এর দেউলিয়া হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে এবং সাধারণ আমানত কারীরা পড়বে বিপদে।
দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট নীতির নগ্ন রূপ ফুটে উঠেছে , তিনি বলেন যেভাবে আদানি কিংবা দেশের পুঁজিপতিদের রাষ্ট্রায়ত্ব সম্পদ তুলে দেওয়া হচ্ছে তা বেশ উদ্বেগজনক।এয়ার ইন্ডিয়া যেভাবে টাটা গোষ্ঠীকে হস্তান্তর করা হয়েছে তা বেশ আশঙ্কার।অবিলম্বে সরকারের এই নীতির পরিবর্তন দরকার না হলে দেশের অর্থনৈতিক সংকট অবশ্যম্ভাবী।এই সম্মেলনে তিনি জোর দেন শুধু ব্যাংক কর্মচারী সংগঠন নয় সমস্ত ক্ষেত্রের কর্মচারীদের ঐক্য মজবুত করার কাজে নিয়োজিত হতে হবে।দেশের মধ্যে গণ আন্দোলন তীব্র না হলে সরকারের নীতির পরিবর্তন হবে না।




