কলকাতা বন্দরের নাম সুভাষচন্দ্র বোসের নামের দাবিতে পথে নেমেছে এস এফ আই। এক প্রতীকী আন্দোলনের সাক্ষী থাকলো কলকাতা।অস্থায়ী ফলক লাগিয়ে আন্দোলনের সূচনা করলেন তারা।সাংবাদিকদের সামনে বলেন ছাত্র নেতা ময়ূখ বিশ্বাস।
এই বন্দরের সাথে আমাদের স্বাধীনতার সম্পর্ক বহুযুগের। এ বন্দর জানে গদর আন্দোলনের রক্তাক্ত ইতিহাস। জানে কোগামাতাগারুর আখ্যান। সেই বাংলার বন্দরে ব্রিটিশদের তাবেদারদের নয়, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীকেই মানায়। যারা মাথা নোয়ায়নি কখনো। সেলাম করতে শেখেনি তাবেদারের প্রিয় ইউনিয়ন জ্যাক'কে, বরং ঝলসে দিয়েছে বারংবার।
আজকের ছাত্ররা, আপনারা জানে যে এই বাংলার ছাত্ররা এই বন্দর থেকেই সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতার পতাকা সংগ্রহ করে সেদিনের হিন্দু কলেজে পড়া আপনার মতো কয়েকজন তা উড়িয়ে দিয়েছিল মনুমেন্ট এর মাথায়!
বাংলার ছাত্রদের প্রেম-রোমান্টিকতা শিখিয়েছে এই মাটি। সেই মাটিতে এসে কলকাতা বন্দরের নাম পালটে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির নামে করে দিয়ে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। সেই জানুয়ারি ২০২০। এই শ্যামাই ব্রিটিশ প্রভুর ভালোবাসা পেতে চাবুক চালিয়েছিলো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর।
ঐতিহ্যশালী কলকাতা বন্দরের অভ্যন্তরেই সুভাষচন্দ্র বসুর নামে ডক রয়েছে। তাই ডক সুভাষ বোসের নামে, আর গোটা বন্দর শ্যামপ্রসাদের নামে? তা হয় না।তৃণমূল চুপ করে থাকলেও, আমরা এসএফআই গতকাল গিয়ে ফলক লাগিয়ে এসেছে - লিখেছে "বন্দর হোক সুভাষচন্দ্র বসুর নামেই।"



