জল কমতে শুরু করেছে পাঞ্জাবের বন্যায় প্লাবিত অঞ্চলে। ফেরোজপুরের সুতল নদীর ধারে বেশ কয়েকটি গ্রাম এখনও প্লাবিত রয়েছে। প্রশাসন, এনডিআরএফ, সেনাবাহিনী এবং বিএসএফের সহায়তায় প্রায় ২,৫০০ জন গ্রামবাসীকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে এবং বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সমীক্ষা চলছে।
পুনরুদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও পুনরুদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ শিবির স্থাপন করেছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করছে। এছাড়াও, কৃষি জমিতে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে।
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা করেছে। প্রতিটি পরিবারকে ৫,০০০ টাকা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের জন্য প্রতি একর জমিতে ২,৫০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হবে।
বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি আশা করা হচ্ছেআবহাওয়া দপ্তর আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা জানিয়েছে। তবে, বন্যার্তদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


