" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory কয়লা ও বালি পাচার কাণ্ড: ইডির নজরে পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডল, দুর্গাপুরে ম্যারাথন তল্লাশি //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

কয়লা ও বালি পাচার কাণ্ড: ইডির নজরে পুলিশ আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডল, দুর্গাপুরে ম্যারাথন তল্লাশি



নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: রাজ্যে কয়লা ও বালি পাচার মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে রাজ্য পুলিশের দাপুটে আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাসভবনে হানা দিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। বর্তমানে বুদবুদ থানার নবনিযুক্ত অফিসার-ইন-চার্জ (OC) হিসেবে তাঁর নাম থাকলেও, এই অভিযানের জেরে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

কে এই মনোরঞ্জন মণ্ডল?

মনোরঞ্জন মণ্ডল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একজন সাব-ইন্সপেক্টর। এর আগে তিনি আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত বারাবনি থানার ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁকে বুদবুদ থানার ওসি হিসেবে নিয়োগ করা হলেও, খবর অনুযায়ী তিনি এখনও সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেননি।

ইডির অভিযানের নেপথ্যে

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, আসানসোল, দুর্গাপুর এবং ঝাড়খণ্ড-বঙ্গ সীমান্ত সংলগ্ন ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের (ECL) এলাকাগুলিতে অবৈধ কয়লা খনন, পরিবহন এবং বালি পাচারের মাধ্যমে হওয়া আর্থিক তছরুপের তদন্তেই এই তল্লাশি।

  • আর্থিক লেনদেন: অভিযোগ রয়েছে, কয়লা খনি অঞ্চলে পোস্টিং থাকাকালীন কয়েক কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে তাঁর মাধ্যমে।

  • একাধিক জায়গায় হানা: শুধু মনোরঞ্জন মণ্ডলের আবাসনই নয়, এদিন আসানসোল-দুর্গাপুর এবং কলকাতা মিলিয়ে প্রায় দশটি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায় ইডি।

বিতর্কিত অতীত ও সাসপেনশন

মনোরঞ্জন মণ্ডলের পুলিশি ক্যারিয়ারে বিতর্কের ছায়া নতুন নয়। ২০২৪ সালে তাঁকে যখন সাসপেন্ড করা হয়, তখন তাঁর বিরুদ্ধে মূলত দুটি কারণ সামনে এসেছিল:

  1. অপেশাদার আচরণ: একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল তিনি বারাবনি থানার ভেতরেই এক তৃণমূল নেতার জন্মদিনের কেক কাটছেন।

  2. মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিচুতলার পুলিশ এবং সিআইএসএফ-এর একাংশকে কয়লা ও বালি পাচারে মদত দেওয়ার জন্য জনসমক্ষে তিরস্কার করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

নথি অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে ‘কর্তব্যে গাফিলতি’‘অপেশাদার আচরণের’ জন্য বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল। সাসপেনশন চলাকালীন তিনি আসানসোল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত ছিলেন।

বর্তমান পরিস্থিতি

যদিও বিভাগীয় তদন্তের ফলাফল এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও তাঁকে সম্প্রতি বুদবুদ থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টিং দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিনের অভিযানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা তাঁর দুর্গাপুরের বাড়ি ঘিরে রাখে এবং দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। এই তল্লাশিতে কোনো নথিপত্র বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে ইডির পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।


Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies