নিউজ ডেস্ক, জম্মু কাশ্মীর
তিনি লিখেছেন চিঠিতে “২০১৪ সালের পর রাহুলের নেতৃত্বে কংগ্রেস দুটি লোকসভা নির্বাচনে লজ্জাজনকভাবে হেরেছে। ৪৯টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে ৩৯টি হেরেছে। এর মধ্যে কংগ্রেস নিজের দমে মাত্র ৪টি রাজ্যের বিধানসভা ভোটে জিতেছে। আর ৬ বার জোটসঙ্গীদের সঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে। দুঃখজনকভাবে আজ কংগ্রেস মাত্র দুটি রাজ্যে ক্ষমতায়। আর দুটি রাজ্যে শাসক জোটের প্রান্তিক শক্তি।” আজাদ বলছেন, “২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পর দলের অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে। এর মধ্যে রাহুল দলকে বিপদে ফেলে ইস্তফা দিলেন। তার আগেই অবশ্য দলের প্রবীণ নেতাদেরও যথেচ্ছভাবে অপমান করেছেন রাহুল।”
জম্মু-কাশ্মীরের নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে কয়েক দিন আগেই ইস্তফা দিয়েছিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ। শুক্রবার আরও বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন এই কাশ্মীরি নেতা। যদিও তার সিদ্ধান্ত ঘিরে উঠলো প্রশ্ন , যখন কংগ্রেসের প্রধান পদ নিয়ে নির্বাচন এর মুখে দল।গান্ধী পরিবার কংগ্রেসের শীর্ষ পদ থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিতের পরেও এই ধরণের অভিযোগ কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে উঠতেই পারে প্রশ্ন।
তার দলত্যাগ এর পর নতুন দল গড়া নিয়ে জম্মু কাশ্মীরে জল্পনা তুঙ্গে , তবু কাশ্মীরের বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণে তিনি কতটা সফল হবেন তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।যদিও বিজেপি এর পক্ষ থেকে তাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বিজেপি তে যোগদানের ক্ষেত্রে।এই বিষয়ে তিনি মুখে কুলুপ এঁটেছেন।


