সিটিসেন্টার এর তিনদিকে থেকে তিনটি সুবিশাল মিছিল মুহূর্তে সমাবেশ স্থলে লাল ঝান্ডার পতাকা সহ হাজার হাজার বাম সমর্থকদের ভিড় সমাবেশ স্থল উপচে ওঠে।
পুর নিগমের মেয়াদ উর্তীর্ন হওয়ার পরেও প্রশাসক নিয়োগ করে পুরসভার ভোটকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।যার ফলে শহরবাসী বিভিন্ন পরিষেবা থেকে বন্চিত।শহরের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকেই মানুষ আজ ভিড় জময়েছিলো বামেদের সমাবেশে।
সভার শুরুতে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য পঙ্কজ রায় সরকার চাচাছলা ভাষায় আক্রমন করেন পুর বোর্ডকে ২০১৭ সালে শহরের গণতন্ত্রকে লুঠ করে বোর্ড প্রতিষ্ঠা করে তৃণমূল কংগ্রেস, তাই মেয়াদ উর্তীর্ন হওয়ার পরে ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে তারা প্রশাসক নিয়োগ করেছে।শহরের মানুষ তত যোগ্য জবাব দিতে আজ রাস্তায়।এছাড়াও রাজ্য জুড়ে বেকারদের স্বপ্ন চুরি করে কোটি কোটি টাকা মজুত করে ধরা পড়ছে নেতা মন্ত্রীরা।এমন অবস্থায় রাজ্যে এ চোরদের বদল করতে বামেরা নেমেছে রাস্তায়।
রাজ্যের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে একটাই লক্ষ্য চোরদের সরকার উৎখাত করতে হবে সেই সঙ্গে দেশের সম্পদ লুণ্ঠনকারী বিজেপি সরকার এই রাজ্যে পা রেখেছে ধর্মীয় উন্মাদনার জিগির তুলে তাই রাজ্য ও দেশ বাঁচাতে বামেদের লড়াই এক ঐতিহাসিক লড়াই।তাই তৃণমূলের পুলিশ দিয়ে বৃথা ভয় কিংবা বিজেপি এর ধর্মের বিভাজন কোনোটাই মানুষের আন্দোলন দমাতে পারবে না।মানুষের রুটি রুজির আন্দোলনের পাশাপাশি রাজ্যের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াই মজবুত করতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চ্যাটার্জি বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন কয়লা চুরি লোহা চুরির নায়কদের নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ।রাজ্যের দুর্নীতির প্রশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা ন্যক্কারজনক।অবিলম্বে রাজ্য এ গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সিপিআইএম লড়ছে।
বক্তব্য রাখেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায় চৌধুরী।তিনি দেশের সম্পদ লুণ্ঠনকারী বিজেপি এর আদানি সখ্যতা তুলে ধরেন।দেশে ধর্মীয় জিগির তুলে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরে বলেন ধর্মীয় বিভেদ তৈরি করে দেশের রুটি রুজির আন্দোলনকে ভাঙতে চাইছে।সিপিআইএম শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে এই অশুভ শক্তি প্রতিহত করবে।রাজ্যের দুর্নীতির প্রশ্নে তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।









