পারিবারিক বিবাদই কারণ মনে করছে পুলিশ। তদন্ত করতে গিয়ে বীভৎস ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছে পুলিশ কর্তাদের। মালদহে এক পরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিজের বৌদি ও শ্যালিকার কিশোরী মেয়েকে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে, নিজের স্ত্রীকে কোপ মেরেছেন এক ব্যক্তি। তারপর নিজেও আত্মঘাতী হয়েছেন। স্ত্রী বেঁচে গেলেও জখম গুরুতর। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে
মৃত তিনজনের দেহ ইংরেজবাজার থানার পুলিশ উদ্ধার করে মালদহ মেডিকেল কলেজে পাঠিয়েছে। নির্মলাদেবীকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টুবাই মন্ডল দুবাইতে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন আগেই নিজের গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। প্রতিবেশী ও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা জানিয়েছেন, আগে থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা চলছিল তাঁর। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে বাবার বাড়িতেই ছিলেন স্ত্রী নির্মলা দেবী। দুবাই থেকে ফিরে স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু স্বামীর কথায় রাজি হননি স্ত্রী। এরপরই আজ রাতে মদ্যপ অবস্থায় শ্বশুরবাড়িতে যান তিনি। কথা কাটাকাটির মাঝেই কুড়ুল দিয়ে কোপ বসিয়ে দেন দীপ্তির মাথায়। লক্ষ্মী বাঁচাতে গেলে তাকেও কোপান টুবাই। দীপ্তি ও লক্ষ্মীকে বাঁচাতে ছুটে আসেন নির্মলাদেবী। তাঁরও আঘাত লাগে।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ মেরে আত্মঘাতী হন ইংরেজবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, তিনজনের মৃতদেহ মালদহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। খুনের অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।


