"নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার,কেন নাহি দিবে অধিকার",,,অধিকার কে দেয়?অধিকার ছিনিয়ে নিতে হয়।অধিকার বুঝে নিতে হয়।সারা বিশ্বে প্রতিদিন চলছে নারীর এই নিজের অধিকার বুঝে নেবার লড়াই।এই লড়াই বড় কঠিন।
সারা বিশ্বে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে নারী নির্যাতনের ঘটনা।আমাদের রাজ্যের সর্বোচ্চ শাসক নিজে মহিলা হওয়া সত্ত্বেও এ রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা আজ প্রশ্নের মুখে।ত্রিবেণী হোক বা কলিয়াচক নারীকে যোগ্য সন্মান দিতে,সুরক্ষা দিতে প্রশাসন আজ ব্যর্থ।সারা দেশে যখন "বেটি বাঁচাও" প্রকল্প বাস্তবায়ন করার প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে ঢাক ঢোল বাজিয়ে,
তখন খোদ রাজধানীর বুকে পুরস্কার প্রাপ্ত মহিলা কুস্তিগীর দের ধর্নায় বসতে হচ্ছে নিজেদের সন্মান বাঁচাতে।
মহান দার্শনিক কার্ল মার্ক্স এর অভিন্ন হৃদয় মিত্র ফ্রেডরিক এঙ্গেলস এর বিখ্যাত উক্তি ছিল "কোনো সমাজ কতটা প্রগতিশীল সেটা বোঝা যায় সেই সমাজে নারীদের অবস্থান এর নিরিখে",,,একথা মানলে স্বীকার করতে লজ্জা লাগে যে আমাদের সমাজে ধ্বস নেমেছে।
এই পচনশীল সমাজে নিজের অধিকার বুঝে নিতে,শাসকের চোখে চোখ রেখে নিজের সন্মান আদায় করে নিতে আজ
৬ ই মে,২০২৩ সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির (AIDWA) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির আহ্বানে সাড়া দিয়ে হুগলী জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক মহিলার দৃপ্ত মিছিল মৌলালী থেকে ধর্মতলা অভিমুখে,,
এরাজ্যের পুলিশ আর কিছু পারুক না পারুক,মিছিল শেষে পুলিশ মন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করার কর্মসূচির খবর পেয়ে সেই কুশপুতুল চুরি করে রীতিমত দৌড়ে পালায় পুলিশ!যদিও কমরেডদের তৎপরতায় চুরি যাওয়া কুশপুতুলের কিছু অংশ পুনরুদ্ধার করে কর্মসুচী সমাপ্ত করা হয়।সরকার যেমন চুরিতে সিদ্ধহস্ত, তেমনই কুশপুতুল চুরিতে কোনো অংশে কম নেই রাজ্যের তথাকথিত আইন রক্ষকরাও, আজ তারও সাক্ষী হয়ে থাকলো এই মহানগর।





