" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory প্যালেস্টাইন মুক্তির সংগ্রামে ধর্মীয় সংগঠনের দখলদারীর ইতিহাস //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

প্যালেস্টাইন মুক্তির সংগ্রামে ধর্মীয় সংগঠনের দখলদারীর ইতিহাস

 প্যালেস্টাইন মুক্তির সংগ্রামে ধর্মীয় সংগঠনের দখলদারীর ইতিহাস

                    শংকর পাল


দীর্ঘসময় ধরে ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইনের বিরোধ , দখলদারীর সংঘাতে শুধুই ধ্বংস ও মৃত্যু।রাজনৈতিক মীমাংসার নামে বিশ্ব দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে।একসময় ইন্তিফাদা এর প্রতিষ্ঠাতা ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইনের মুক্তির সংগ্রামে বিশ্বের সমর্থন আদায় করেছিলেন। 



ইন্তিফাদা আসলে বিপ্লবের সূচনা প্যালেস্টাইনের মুক্তি যার নেতৃত্বে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন।যারা শুরু হয়েছিল ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বর মাসে।শুরু হয়েছিল একটি ঘটনার মাধ্যমে একটি ইসরায়েলি ট্রাক ৪জন প্যালেস্টাইন শ্রমিক কে নিয়ে কাজে যাচ্ছিল।ইসরায়েলি সৈনিকদের সাথে একটি বিষয় নিয়ে তর্ক শুরু হয় এবং নৃশংস ভাবে তাদের হত্যা করা হয়।তারপরের দিন এক ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু ঘটে।শুরু হয় রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম।




যদিও ইয়াসির আরাফাত ১৯৫০ এর দশকের শেষ দিকে ফাতাহ আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন।  এই আন্দোলনের পেছনের ধারণাটি ছিল অস্ত্র হাতে ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল থেকে বিতাড়িত ফিলিস্তিনিদের ফিরিয়ে আনা । ফাতাহ, ফাতহ (আরবি: "বিজয়" বা "ওপেনিং") বানান, হরাকাত আল-তাহরির আল-ওয়াতানি আল-ফিলাসতিনি ("প্যালেস্টাইন জাতীয় মুক্তি আন্দোলন"), ফিলিস্তিনে আরবদের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠনের বিপরীত সংক্ষিপ্ত রূপ।  ইয়াসির আরাফাত এবং খলিল আল-ওয়াজির (আবু জিহাদ) দ্বারা ১৯৫০ এর দশকের শেষের দিকে এই আন্দোলনের সূচনা করেন।




এই আন্দোলন চলতে চলতে প্যালেস্টাইনের রাজনৈতিক আবহে চলে আসে বামপন্থী সংগঠন তৈরি হয় পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অফ প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) গাজা উপত্যকা তে তাদের মূলত অবস্থান।পি এফ এল পি মনে করে ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইন এক রাষ্ট্র তৈরি সম্ভব।"এক-রাষ্ট্র সমাধান" বলতে বোঝায় একটি একক, ফেডারেল বা কনফেডারেট ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র তৈরির মাধ্যমে ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের একটি সমাধান, যা পূর্ব জেরুজালেম সহ ইসরায়েলের বর্তমান সমস্ত ভূখণ্ড, পশ্চিম তীরকে অন্তর্ভুক্ত করবে।  এবং সম্ভবত গাজা স্ট্রিপ এবং গোলান হাইটস।




পি এফ এল পি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অধীনে সরকারে কাজ করার বিরোধিতা করে এবং তাদের নীতির সমালোচনা করে, বিশেষ করে ইসরায়েলের সাথে নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়ে।  দলটি যদিও ২০০৬ সালের সংসদ নির্বাচনে শহীদ আবু আলী মুস্তফা তালিকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল,৩ টি আসন জিতেছিল।





পি এল ও এর সাথে তাদের বিরোধ চরমে ওঠে ২০১৬ সালে যখন প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনি জাতীয় তহবিল (যা পি এল ও এবং এর উপাদান গোষ্ঠীর কার্যকলাপে অর্থায়নের জন্য ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল) মাসিক বৃত্তি যার পরিমান ৭০ হাজার ডলার স্থগিত করে দেয়।  ২০১৭ সালে ফিলিস্তিনের জাতীয় তহবিল দ্বারা প্যালেস্টাইন সামরিক খাতে খরচ কমিয়ে ফেলে অনেকটাই।যদিও প্যালেস্টাইনের মন্ত্রীদের বিদেশ সফরের খরচ দ্বিগুন করেই।


পি এল এফ পি মূলত সমর্থন পেয়েছিল  সোভিয়েত ইউনিয়ন, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এবং বিভিন্ন সময়ে সিরিয়া, দক্ষিণ ইয়েমেন, লিবিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ইরাকের মতো দেশ গুলি থেকে।যদিও ধর্মীয় সংগঠন গুলির সাথে বিরোধ ছিল চরমে বিশেষ করে হামাস, আল কায়দা এই সব সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সাথে চরম বিরোধিতা ছিল।



বর্তমানে প্যালেস্টাইনের যুদ্ধে হামাস এর ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে , যার পরিণতি প্যালেস্টাইনের সাধারণ নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা ।হামাস কতটা প্রভাব বিস্তার করেছে প্যালেস্টাইনের মুক্তি যুদ্ধে এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে রাজনৈতিক মহলে।হামাস ১৯৮৭ সালে প্রথম ফিলিস্তিনি বিদ্রোহ বা ইন্তিফাদার সময় মুসলিম ব্রাদারহুডের ফিলিস্তিনি শাখার একটি বৃদ্ধি হিসাবে আবির্ভূত হয়।  দলটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ এবং ইসরায়েলের জায়গায় একটি ইসলামী ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।



হামাস ফিলিস্তিনি সশস্ত্র প্রতিরোধের সমর্থন অব্যাহত রাখে, ২০০৬ সালের ফিলিস্তিনি আইনসভা নির্বাচনে ব্যাপক আসন জয়লাভ করে, এবং ফিলিস্তিনি আইন পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এরপর ২০০৭ সালে গৃহযুদ্ধের পর ইয়াসির আরাফাতের দল ফাতাহ থেকে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। তখন থেকে, এটি গাজাকে একটি দফতর হিসাবে পরিচালনা করে। এলাকায় কার্যত স্বৈরাচারী এবং একদলীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে তারা।






১৯৯০ এর দশক থেকে ইরান হামাসের একটি ধারাবাহিক আর্থিক ও সামরিক পৃষ্ঠপোষক ছিল, গোষ্ঠীটি গাজার নিয়ন্ত্রণ অর্জনের অনেক আগে থেকেই সক্রিয় ছিল।তারা তাদের  তহবিল ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করেছে, এবং এখন প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার বার্ষিক আয় তাদের।গাজায় তাদের আধিপত্য কায়েম করেছে।হামাসের একটি গোপন আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যবস্থা আছে, যা থেকে কয়েকশো মিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ তৈরি করেছে।

সুদান, আলজেরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং অন্যান্য দেশ থেকে পরিচালিত সংস্থাগুলি ওই সম্পদ ব্যবহার করে হামাসকে অর্থ জুগিয়ে থাকে।







Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies