চন্দননগরের পিয়ালি বসাক। তিনি পর্বতারোহী। ২০১৮ সালে মানাসলু, ২০২১ সালে ধওলাগিরি, ২০২২ সালে এভারেস্ট ও লোৎসে, ২০২৩ সালে অন্নপূর্ণা ও মাকালু শৃঙ্গে সফল আরোহণ করেছেন। পৃথিবীর সর্বোচ্চ এভারেস্ট সহ মোট ছয়টি আট হাজারি শৃঙ্গে ওঠার কৃতিত্ব তার। অক্সিজেন ছাড়া এভারেস্টের সব থেকে কাছে পৌঁছেছিলেন।
কিন্তু এই কৃতিত্বের অধিকারী পর্বতারোহীর এখন আর্থিক সংকট। তার অভিযানের খরচ মেটাতে তাকে ঋণ নিতে হয়েছিল। সেই ঋণের বোঝা এখনও মাথার ওপরে।
পিয়ালি বসাক জানান, তার অভিযানের খরচ মোট আশি লক্ষ টাকা। এর মধ্যে আগের অভিযানের ঋণ ৫০ লক্ষ টাকা। মাকালু অভিযানের জন্য আরও ৩০ লক্ষ টাকা ঋণ নিতে হয়েছিল। এখনো সেই ঋণ শোধ করতে পারেননি।
ঋণের বোঝা নিয়ে পিয়ালি বসাক এখন মেলায় স্টল দিয়েছেন। তিনি পর্বতারোহণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করছেন। পাশাপাশি পাহাড় চড়ার সরঞ্জামও বিক্রি করছেন।
পিয়ালি বসাক বলেন, "আমি চাই মানুষকে পর্বতারোহণের প্রতি উৎসাহিত করতে। পাশাপাশি তাদের সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে সাহায্য করতে চাই।"
পিয়ালি বসাককে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
পিয়ালি বসাক একজন সফল পর্বতারোহী। তিনি দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। কিন্তু তার এই আর্থিক সংকট সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ।
সরকার উৎসব, মেলা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিপুল টাকার অনুদান দেয়। কিন্তু দেশের গৌরব অর্জনকারীদের জন্য কোনও সহায়তা নেই।
পিয়ালি বসাককে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হলে তিনি আরও উচ্চতর অভিযান চালাতে পারবেন। এতে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।



