বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলা বাণিজ্যিক ছবি থেকে শুরু করে সমান্তরাল ধারার সিনেমা— সর্বত্রই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এক অপরিহার্য নাম। 'অমর সঙ্গী'র সেই চকোলেট বয় থেকে 'অটোগ্রাফ', 'বাইশে শ্রাবণ' কিংবা সাম্প্রতিককালের বিভিন্ন চরিত্রে তাঁর বিবর্তন ভারতীয় চলচ্চিত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই বিশেষ সম্মানের খবর পাওয়ার পর আবেগপ্লুত অভিনেতা জানান,
"এই সম্মান কেবল আমার একার নয়, এটি আমার প্রিয় দর্শক এবং গোটা বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের। যাঁদের ভালোবাসায় আমি আজ এখানে পৌঁছেছি, এই পদক আমি তাঁদেরই উৎসর্গ করছি।"
মরণোত্তর সম্মান পেলেন হরিমাধব মুখোপাধ্যায়
শিল্প ও সংস্কৃতিতে বাংলার অবদান কেবল বড় পর্দাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। থিয়েটার বা নাট্য জগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়কেও এ বছর মরণোত্তর পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের নাট্য আন্দোলনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর এই সম্মান প্রাপ্তিতে শোকাতুর অথচ গর্বিত বাংলার নাট্য মহল।
অন্যান্য প্রাপ্তি ও গর্বের মুহূর্ত
এবারের পদ্ম তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও বেশ কয়েকজন কৃতী ব্যক্তিত্বের নাম উঠে এসেছে, যা প্রমাণ করে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং শিল্পকলায় বাংলার মেধা আজও দেশের অগ্রগণ্য।
রাজ্যজুড়ে আজ সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের পাশাপাশি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও হরিমাধব মুখোপাধ্যায়ের এই অনন্য অর্জন সংস্কৃতিপ্রেমী বাঙালির মনে এক বাড়তি আনন্দের জোয়ার নিয়ে এসেছে। সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই টলিউডের অন্যান্য তারকারা এবং সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রিয় ‘বুম্বাদা’-কে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন।


