কলকাতা, ৫ মার্চ ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোস আজ আকস্মিকভাবে তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তাঁর এই পদত্যাগ এমন এক সময়ে এলো যখন রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতে শুরু করেছে।
তদন্তমূলক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
ইস্তফার নেপথ্যে: আনন্দ বোস পিটিআই-কে জানিয়েছেন যে তিনি এই পদে "যথেষ্ট সময়" কাটিয়েছেন, তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অমিত শাহের দিল্লি সফরের পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজেপির চাপ?: বঙ্গ বিজেপির একাংশ, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারী, আনন্দ বোসের সাথে নবান্নের "সুসম্পর্ক" নিয়ে অতীতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তদন্তকারী সূত্র বলছে, নির্বাচনের আগে কেন্দ্র একজন আরও কঠোর মনোভাবাপন্ন রাজ্যপাল চাইছিল।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই পদত্যাগকে "পূর্বপরিকল্পিত" বলে বর্ণনা করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে না জানিয়েই নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করে ফেডারেল কাঠামো ভেঙে দিয়েছে।
আর.এন. রবির আগমন: তামিলনাড়ুর বিতর্কিত রাজ্যপাল আর.এন. রবি-কে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যা নবান্নের সাথে রাজভবনের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংঘাতের মূল বিন্দুসমূহ
| ঘটনা | প্রভাব |
| বকেয়া বিল | ১৯টি বিলে সই না করা নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্যপালের আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। |
| সন্দেশখালি ও আরজি কর | এই দুই ঘটনায় রাজ্যপাল সরাসরি রাস্তায় নেমে সরকারের সমালোচনা করেছিলেন, যা মুখ্যমন্ত্রী ভালোভবে নেননি। |
| মানহানি মামলা | মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের মধ্যেকার ব্যক্তিগত আইনি লড়াই ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকট তৈরি করেছিল। |
পরবর্তী পদক্ষেপ: আপনি কি নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবির অতীত রেকর্ড এবং তামিলনাড়ু সরকারের সাথে তাঁর বিরোধের কারণগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান?


