তেহরান, ৩০ মার্চ ২০২৬ — গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ধারাবাহিক হামলায় ইরানে বেসামরিক নাগরিক বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
🔹 নারী ও শিশুদের ওপর চরম আঘাত
ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চলমান এই হামলায় এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।
২৪৪ জন নারী
২১৪ জন কিশোর (১৮ বছরের কম বয়সী)
১৭ জন শিশু (৫ বছরের কম বয়সী)
তাছাড়া জীবন বাঁচাতে নিয়োজিত ২৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীও প্রাণ হারিয়েছেন।
🔹 আবাসন ও অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ
ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (IRCS) তথ্য অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু থেকে বাদ যায়নি সাধারণ মানুষের ঘরবাড়িও।
দেশজুড়ে ৯৩,২৩৩টিরও বেশি বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শুধুমাত্র রাজধানী তেহরানেই ৩১,৫৬২টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আবাসিক এলাকার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
মোহাজেরানি জানান, হামলায় অন্তত ৬০০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা দেশটির শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
🔹 মানবিক সহায়তার আর্তি
রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, হামলা ও অবকাঠামোগত ধ্বংসের ফলে অন্তত ৬০ মিলিয়ন মানুষ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
ইরান সরকার এই হামলাকে জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘন এবং "যুদ্ধাপরাধ" হিসেবে বর্ণনা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
সূত্র: সরকারি বিবৃতি ও রেড ক্রিসেন্ট রিপোর্ট (মার্চ ২০২৬)


