তেহরান: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। ইরানি সশস্ত্র বাহিনী তাদের 'অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪' (Operation True Promise 4)-এর ৮৮তম ঢেউ হিসেবে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি (IRGC)-এর পক্ষ থেকে এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অভিযানের মূল ঘটনাবলি নিচে তুলে ধরা হলো:
🚢 পারস্য উপসাগরে ইসরায়েলি জাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
আইআরজিসি নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী জলসীমায় জায়নবাদী ইসরায়েলি শাসনের একটি কন্টেইনার জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে নিক্ষেপ করা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জাহাজটি সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
💥 সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন মেরিনদের ওপর ড্রোন হামলা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে মার্কিন মেরিনদের একটি গোপন সমাবেশস্থলে দ্বিতীয় দফার সম্মিলিত হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসি-র ক্ষেপণাস্ত্রের ভয়ে মার্কিন সেনারা সামরিক ঘাঁটির বাইরে একটি ঢাকা স্থানে আশ্রয় নিয়েছিল, যা ড্রোন হামলার মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
🛡️ বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের 'হক' (Hawk) সিস্টেম ধ্বংস
বাহরাইনের মানামা বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত মার্কিন 'সন্ত্রাসীদের' পঞ্চম নৌবহরের ড্রোন-বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Hawk) লক্ষ্য করে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ঘাঁটির বাইরে মোতায়েন করা এই সিস্টেমটি হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
📡 কুয়েতে 'জাবের আল-আহমদ' ঘাঁটির রাডার অকেজো
অভিযানের অন্য একটি অংশে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সন্ত্রাসী ঘাঁটি 'জাবের আল-আহমদ'-এর দুটি উন্নত আগাম সতর্কবার্তা প্রদানকারী (early-warning) এয়ার রাডার ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। এই হামলার ফলে ওই অঞ্চলের আকাশপথ পর্যবেক্ষণে মার্কিন বাহিনী বড় ধরনের ধাক্কা খেল।
বিঃদ্রঃ: ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তাদের অবস্থানগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকবে। মার্কিন বা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও হতাহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানানো হয়নি।


