" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory জেগে ওঠো বাংলা! আপনার ভোট কেড়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নীলকশা তৈরি— রুখে দাঁড়ান এখনই! //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

জেগে ওঠো বাংলা! আপনার ভোট কেড়ে নেওয়ার চূড়ান্ত নীলকশা তৈরি— রুখে দাঁড়ান এখনই!

 


নিজস্ব প্রতিবেদক | কলকাতা

আপনার গণতান্ত্রিক অধিকার কি আর আপনার হাতে আছে? ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তা কোনো সাধারণ তালিকা নয়— তা হলো ৬০ লক্ষাধিক মানুষের নাগরিকত্ব এবং অস্তিত্ব মুছে দেওয়ার এক অশুভ দলিল। রাজ্যের ৬০,০৬,৬৭৫ জন ভোটারের নামের পাশে "বিবেচনাধীন" তকমা বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ কী? এর অর্থ হলো, এই মানুষগুলোর মাথার ওপর থেকে ভোটাধিকারের ছাদ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আপনার প্রতিবেশী, আপনার বন্ধু কিংবা হয়তো খোদ আপনার নামটিই আজ ষড়যন্ত্রের শিকার।

সবচেয়ে বড় আঘাত: বিশেষ এলাকা ও বিশেষ মানুষ

পরিসংখ্যান বলছে, এই বাদ পড়া তালিকার প্রায় ৬০ শতাংশই মাত্র পাঁচটি জেলার— উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। এটা কি কাকতালীয়? নাকি পরিকল্পিত?

বিজেপির সংখ্যালঘু-বিরোধী রাজনৈতিক এজেন্ডাকে তুষ্ট করতেই কি আজ মালদা-মুর্শিদাবাদের মতো সংখ্যালঘু প্রধান এলাকাগুলোতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে?

শুধুমাত্র মুসলিম সম্প্রদায় নয়, এই থাবা বসানো হয়েছে আদিবাসী, তফসিলী এবং মতুয়া ভাই-বোনদের ওপরও। যে গরিব মানুষটি প্রতিদিন লড়াই করে বাঁচে, আজ তার শেষ সম্বল— তার 'ভোটাধিকার'টুকুও কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে।



শাসকদলের মদত ও প্রশাসনিক মেরুদণ্ডহীনতা

যে এসডিও এবং বিডিও-রা বছরের পর বছর তৃণমূল সরকারের দলদাসে পরিণত হয়ে ভোট লুটে মদত দিয়েছে, আজ তারাই বিজেপির হাতের পুতুল হয়ে দিল্লির ইশারায় মানুষের নাম কাটছে। যারা গণতন্ত্রের রক্ষক হওয়ার কথা ছিল, তারাই আজ গণতন্ত্রের ঘাতক!

"এ লড়াই শুধু কাগজে-কলমে নয়, এ লড়াই অস্তিত্বের। বিডিও অফিসগুলো আজ দুর্নীতির আখড়া। যদি আজ আমরা প্রতিবাদ না করি, তবে কাল আমাদের পরিচয় দেওয়ার মতো কোনো দলিল অবশিষ্ট থাকবে না।" — এক ক্ষুব্ধ সাধারণ নাগরিক।

এখনই সময়: রাজপথে নামো, অধিকার ছিনিয়ে নাও!

শীতল ঘরে বসে আবেদন করার সময় শেষ। এবার সময় প্রতিরোধের। প্রতিটি বিডিও অফিসে লোক জমায়েত করুন। বিক্ষোভের আগুনে বুঝিয়ে দিন যে বাংলার মানুষ মাথা নোয়াতে জানে না। প্রয়োজন পড়লে অবরুদ্ধ করুন বিডিও অফিস, তালা ঝুলিয়ে দিন দুর্নীতির দরজায়।



 স্পষ্ট দাবি:

১. ২০০২ সালের তথ্যের সাথে যাদের ম্যাপিং মিলে গেছে, তাদের নাম অবিলম্বে 'বৈধ' ঘোষণা করতে হবে। তাদের ঝুলিয়ে রাখা চলবে না।

২. কেন এবং কিসের ভিত্তিতে নামগুলি 'বিবেচনাধীন' রাখা হলো, তার কারণসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনই প্রকাশ করতে হবে। অন্ধকারে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না।

নিজের ভোট নিজে দিন, গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন। আজ রাস্তায় না নামলে কাল নিজের পাড়ায় পরবাসী হতে হবে।



Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies