" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory বঙ্গে অর্থাভাবে পড়া বন্ধ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড লোন প্রত্যাখ্যান আত্মহত্যা তরুণীর //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

বঙ্গে অর্থাভাবে পড়া বন্ধ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড লোন প্রত্যাখ্যান আত্মহত্যা তরুণীর

নিউজ ডেস্ক , কলকাতা:


বঙ্গে শাসক দলের উন্নয়ন নিয়ে প্রায়ই বলতে শোনা যায় উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে , তা একবারে মিথ্যে প্রমান করে দিলো একটি ঘটনা।রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা উন্নয়ন দাঁড়িয়ে আছে শ্মশান ঘাটে।একদিকে যখন উচ্চ শিক্ষার জন্য একটি তরুণী পড়তে চেয়েছিল তার বাবার কাছে ,তার বাবা আশ্বাস দিয়েছিল বঙ্গে এখন তৃণমূল কংগ্রেস গরিবের সরকার এতগুলি প্রকল্প গরিব মানুষের জন্য কোনো চিন্তা নেই পড়াশোনা আটকাবে না।

কিন্তু বাস্তবতা যে কত নিষ্ঠুর তা তিনি ভাবতে পারেন নি।ঘটা করে ঘোষণা করা মুখ্যমন্ত্রীর শিক্ষার জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড লোন , সেটাই হয়ে দাঁড়ালো ওই তরুণীর কাছে গলার ফাঁস।আজ তিনি না ফেরার দেশে কিন্তু রেখে গেল অনেক প্রশ্ন আর অসহায় দীর্ঘশ্বাস। অন্যদিকে রাজ্যের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে কোটি কোটি টাকা কারোর গরু পাচারে সম্পত্তি বাড়িয়েছে ১০০ গুন।

তাদের আস্ফালনে হারিয়ে যাচ্ছে বাংলার আর্তনাদ। টানা ১৭ দিন হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর মৃত্যু হল চন্দ্রকোণার ভেরবাজারের নার্সিং পড়ুয়া ছাত্রীর। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে ঋণ না পেয়ে বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তিথি দলুই নামে ওই ছাত্রী। তারপর থেকেই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল তিথি। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে চন্দ্রকোনার নার্সিং পড়ুয়া ওই ছাত্রী।

১৪ অগস্ট রাতে বাড়িতেই বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে চন্দ্রকোণা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ভেরবাজার গ্রামের বাসিন্দা জয়দেব দলুইয়ের মেয়ে তিথি দলুই। প্রথমে চন্দ্রকোণা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে ১৫ অগস্ট রাতে তাকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল তিথি। পরিবারের তরফে অভিযোগ, উচ্চমাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিথি বেঙ্গালুরুর একটি নার্সিং ট্রেনিং কলেজে ভর্তি হয়। জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুর যে নার্সিং কলেজে তিথি ভর্তি হয়েছিল, সেই কলেজের কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে পুরো কোর্স সম্পূর্ণ করতে খরচ পড়বে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

ভর্তির সময় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এককালীন এক লাখ টাকা জমা দিয়ে কলেজে ক্লাস শুরু করে তিথি। বাকি টাকা মেটানোর জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডে লোনের আবেদন করে তিথিরা। তাঁরা ভেবেছিলেন যে, এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে লোন পেয়ে যাবেন। কিন্তু সমস্ত প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দিলেও লোন মেলেনি। একাধিকবার ব্যাঙ্কে ঘুরেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। লোন না মেলায়, নার্সিং কোর্সের দ্বিতীয় কিস্তির মোটা টাকা মেটাতে পারেনি তিথি।

টাকা দিতে না পারায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ হারায় সে। বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে আসে তিথি। লোন না পেয়ে মানসিক অবসাদে চলে যায় তিথি। মাঝপথে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অবসাদ থেকেই বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তিথি দলুই। টানা ১৭ দিন চিকিৎসা চলার পর শেষমেশ মৃত্যু হয় ওই ছাত্রীর। এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ ওই ছাত্রীর পরিবার। এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies