কর্ণাটকের বাগেপল্লীতে সিপিআইএম এর ডাকে ঐতিহাসিক সমাবেশে পরিণত হলো।রাজ্যে বিকল্প রাজনৈতিক জোটের আহবান , দেশের গণতন্ত্র রক্ষা সহ জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে গন জমায়েতের ডাক দেয় সিপিআইএম কর্ণাটক রাজ্য কমিটি।সকাল থেকেই জমায়েত স্থলে লাল ঝান্ডা নিয়ে মানুষ আসতে শুরু করে।পরে এক বিশাল মিছিল সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়।
রাজ্যে বেশ কয়েক বছর ধরে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি স্পষ্ট হয়েছে ,যার জেরে সম্প্রীতির বাতাবরণ ধ্বংস হয়েছে।সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সমাবেশ থেকে আহবান জানান হয়েছে।সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পলিট ব্যুরো সদস্য পিনারাই বিজয়ন এবং কর্ণাটকের রাজ্য কমিটির নেতৃত্ব।
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন কর্ণাটকের বাগেপল্লীতে আরএসএস এবং বিজেপির বিরুদ্ধে কটাক্ষ করেছেন:“যারা কখনও আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেয়নি তারা সেই মূল্যবোধগুলিকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে যা আন্দোলনের ভিত্তি ছিল।তারা সার্টিফিকেট দিলেই আমাদের জাতীয়তাবাদ মানা হবে। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে তারা নিজেরা কোনো ভূমিকা রাখেনি।
তারা জোর দিয়ে বলে যে শুধুমাত্র কিছু শব্দ এবং প্রতীক জাতীয়তাবাদের সাথে যুক্ত হতে পারে। কিন্তু সুভাষ চন্দ্র বসু বলেছিলেন জয় হিন্দ। ভগৎ সিং বললেন ইনকিলাব জিন্দাবাদ। আল্লামা ইকবাল বলেছেন জারে জাহান সে আছা।যারা আমাদের শাসন করে আমরা কি ভাবি, খাই বা কি পোষাক তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোন কর্তৃত্ব নেই।আরএসএস এবং সঙ্ঘ পরিবার দেশের প্রতিটি বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ডের অগ্রভাগে রয়েছে। এখন তারা হাইপার ন্যাশনালিজমের প্রেরিত। এটা আমাদের সময়ের দ্বিমত।
আমরা কীভাবে পোষাক, কোথায় ভ্রমণ করি, কী খাই তাতে হস্তক্ষেপ করছে সংঘ পরিবার। যারা প্রশ্ন তোলে তাদের দেশবিরোধী বলা হয়। এটি ভারতের বহুত্বকে ধ্বংস করার লক্ষ্য।তিস্তা সেতলাবাদ জেলে গেলেও নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেই।বিজেপি অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছে।





