তবু অরিত্র বেঁচে থাকলো , সীমানা ছাড়িয়ে চলে গেলেও অনেক শিশুদের বাঁচানোর রসদ দিয়ে গেল।পরিবারের উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তদের পাশে থাকার উদ্যোগ অরিত্র এর স্মৃতি আগলে রেখেই।দুর্গাপুর থ্যালাসেমিয়া সোসাইটির উদ্যোগে রক্তদান শিবির সাব ডিভিশনাল ব্লাড ডোনার্স ফোরামের সহযোগিতায় আনন্দ বিহার রিক্রিয়েশন গেস্ট হাউসে ।পরিবারের সদস্য দের সাথে অনেক কমরেড এই রক্তদান শিবিরে ভাগ নেয়।২৫ জন রক্তদাতা এই শিবিরে যার মধ্যে ৫ জন মহিলা রক্তদাতা।রক্তদাতাদের সংবর্ধিত করেন অরিত্র এর বাবা মা এবং দাদু ঠাকুমা এবং হিন্দুস্তান স্টিল এমপ্লইজ ইউনিয়নের একাধিক নেতৃত্ব।এছাড়াও সংবর্ধিত করেন থ্যালাসেমিয়া সোসাইটির পক্ষ থেকে গোপী রঞ্জন বসু, ব্লাড ডোনার্স ফোরামের পক্ষ থেকে কবি ঘোষ।
অনুষ্ঠানটি ঐকান্তিক ভাবে সফল করার কাজে এ এস পি এর হিন্দুস্থান স্টিল এমপ্লইজ ইউনিয়নের নেতৃত্ব এবং এ এস পি সিইও ঠিকা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব।রক্তদান শিবিরে সহযোগিতা করেছেন নবেন্দু সরকার , নিখিল দাস, সুমনব্রত দাস,মৃনাল পান্ডা, পথিক দাস,তারক দাস,ডি এস পি এর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করেছেন সুকান্ত চক্রবর্তী।যুব শ্রমিক শাখার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দীপ্যমান চন্দ ।আজকের রক্তদান শিবিরের মাধ্যমেই উজ্বল হয়ে থাকবে অর্রিত্র এর অঙ্গীকার।




