যৌবনের জনস্রোত আজ ভিক্টরিয়ার মোড়ে
ইনসাফের দাবিতে
শংকর পাল
রাজ্যে পালা পরিবর্তনের পর থেকে শাসক তৃণমূলের আক্রমণে পরে বাম ছাত্র যুব কর্মীরা।২০১২ সময়ে বাম ছাত্র সমাবেশে ই শহীদ হন সুদীপ্ত গুপ্ত তখন ই শাসকের হুঁশিয়ারি কোনো সরকার বিরোধী আন্দোলন করলে আক্রমন নেমে আসবে।শহীদের তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে।বাম ছাত্র সংসদ জোর করে ভেঙে দেওয়া হয়েছে , অনেক বাম ছাত্র নেতা নেত্রী কলেজের গন্ডি সম্পুর্ন করতে পারেনি।শাসকের সন্ত্রাস তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার করেছে।তবু তারা শ্বেত শুভ্র পতাকা হাতছাড়া করেনি বরং সংগঠনকে মজবুত করেছে তাদের জেদ।
লড়াইয়ের ময়দান থেকে তো সরে আসেনি লড়াইয়ের ময়দান প্রশস্ত করেছে।বিগত বাম সরকারের শিল্প নীতি ভেঙে খান খান তার জায়গায় তোলাবাজি শিল্প তবু চাকরির দাবিতে ডি ওয়াই এফ আই রাস্তায় বেকার যুবদের নিয়ে রাস্তা দখলের কাজ করে গেছে।তাই তো হার না মা হারের লড়াই লড়তে গিয়ে শহীদ হতে হয় নবান্ন অভিযানে হয়ে মইদুল মিদয়া।এর মধ্যে ঘটে গেছে আর একটি ঘটনা নেতৃত্বের ব্যাটন পরিবর্তন উঠে আসে যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি , ছাত্র নেতা প্রতিকুর রহমান,ছাত্র নেতা সৃজন ভট্টাচার্য, যুব নেতা ময়ূখ ,দিপসীতা, ঐশীরা।
রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তর আজ সেই নেতৃত্বের যোগ্য সম্মান দিয়েছে শাসকের চোখে চোখ রেখে।এর মধ্যে আরেক শহীদের তালিকায় নাম জুড়েছে আনিস খানের রাতের অন্ধকারে পুলিশের জেরা অভিযানের মাঝে ঘরের বাইরে তার লাশ।না এরপর আসর পেছনের দিকে তাকানোর কোনো অবকাশ ছিল না রাস্তায় বিচার চাইতে পথে নামে বাম ছাত্র যুব সংগঠন।গ্রেফতার হতে হয় যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জিকে থামেনি লড়াই ।বরং গতি বেড়েছে অস্যঃ কলকাতার বুকে ইনসাফ চাইতে এসেছিল কোয়ার্ক লক্ষ ছাত্র যুব তাদের স্লোগানে ইনসাফের বার্তা সরাসরি শাসক দলকে হুঁশিয়ার জানিয়েছে। শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন আনিস খানের পিতা সালেম খান।লড়াইয়ের ময়দানে পূর্ন সমর্থন জানালেন তার ছেলের হত্যার বিচার চাইতে।
পুলিশের তরফ থেকে ভিক্টরিয়া হাউসের কাছে সমাবেশের অনুমুতি দেয় নি ,পরোয়া করেনি ছাত্র যুব নেতৃত্ব উৎসাহ বাড়িয়ে কলকাতার রাজপথ দখলের ডাক দেয় তারা।সেই ডাকে গোটা বাংলা তার উত্তর দিয়ে দেয়।ওয়াই চ্যানেলে সেই জায়গা দিতে পারেনি পুলিশ বাধ্য হয়ে জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন।আজ কলকাতার বুকে যৌবনের কুড়ি ফুটে ফুল হয়ে উঠেছে সেই সঙ্গে বাংলার রাজনীতির সমীকরন এক নতুন বাম সূর্যোদয় তার ট্রেলার দেখলো গোটা বাংলা ভিক্টরিয়া এর মোড়ে।






