পশ্চিম বর্ধমান জেলা সম্মেলন শুরু হয় কাঁকসায় সংগঠনের পতাকা উত্তোলন ও প্রকাশ্য সমাবেশের মধ্য দিয়ে।নারীমুক্তি ও গণতন্ত্র প্রসারে ক্ষেত্রে মহিলা সমিতি প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে।লিঙ্গ ভেদের বৈষম্য দূর করতে দেশ জুড়েই লড়াই সংগ্রামের পথে এই সংগঠন।বর্তমানে রাজ্যে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত পথে নামতে দেখা গেছে তাদের।
সমাবেশের শুরুতে পানাগড়ের বাজার সংলগ্ন অঞ্চল কার্যত মহিলাদের দখলে চলে যায়।সভামঞ্চে একাধিক রাজ্য নেতৃত্বের পাশাপাশি ছিলেন সুহাসিনী আলী।সমাবেশের শুরুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য সম্পাদিকা কনিনিকা বলেন রাজ্য এখন সমাজবিরোধীদের স্বর্গরাজ্য যার জেরে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহিলারা , মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও তিনি সমাজবিরোধীদের নিয়ন্ত্রণ করতে শুধু ব্যর্থ হয়নি নির্যাতিতদের ন্যায় দিতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।একদিকে পাহাড় প্রমান দুর্নীতির নায়কদের নিয়ে দলের সম্পদ তৈরি করছেন আরেকদিকে সমাজবিরোধীদের লেলিয়ে দিয়ে ভোট লুঠ করতে পাঠাচ্ছেন।এমন অবস্থায় রাজ্য বাঁচাতে প্রয়োজন সরকার বদল।তাই এই দুর্নীতির সরকার বদল করতে আরো বেশি করে রাস্তার দখল নিতে হবে ।সেই সঙ্গে গণতন্ত্র প্রিয় মানুষদের ঐক্য সংগঠিত করতে হবে।জেলা সম্মেলন গুলিতে আন্দোলনের রূপরেখা তৈরির পাশাপাশি নতুন নেতৃত্বের হাতে ব্যাটন তুলে দিতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুহাসিনী আলী বলেন কেন্দ্রে যে সরকার রয়েছে তাদের নীতির ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মহিলারাই।জনবিরোধী নীতির ফলে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি অসহায় অবস্থা তৈরি হয়েছে রান্নাঘরে।একদিকে দেশের পুঁজিপতি শ্রেণীর আয়বৃদ্ধি আরেকদিকে শ্রমিকদের কাজ হারানো সব মিলিয়ে অসহায় অবস্থা।এই সরকার বদল করতে প্রয়োজন গণ আন্দোলনের সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি।তিনি বলেন পশ্চিম বর্ধমান গণ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে রাজ্যের যার মুলভাগে থেকেছে মহিলারা। এবারের সম্মেলন থেকে সেই লড়াইয়ের তীব্রতা আনার লক্ষ্যে দিশা দেখাবে ।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলার মহিলা নেত্রী শান্তি মজুমদার , কৃষ্ণা দাশগুপ্ত।




