রাষ্ট্রপতি ভাষণের জবাবী ভাষণে রাহুল গান্ধীর ভাষণ সংসদে বিরোধী কণ্ঠস্বর মজবুত করেছে বলে অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলতে শুরু করে দিয়েছিল।এর মধ্যেই ঘটলো ছন্দ পতন।২০১৯ সালের এক মামলার রায় দেশের জরুরী অবস্থা এর চিত্রপট তৈরি করলো।
কি ঘটেছিল সেই দিন ২০১৯ সালে, কর্ণাটকের একটি নির্বাচনী জনসভায়, রাহুল বলেছিলেন যে সমস্ত চোরের নাম মোদী কেন? তার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের হয় সুদূর গুজরাটের সুরাটে এমনকি লোকসভা নির্বাচনের এক বছর একই সেই সময় রায় যদিও সেই রায়ে দোষী সাব্যস্ত করলেও জেল যাত্রা ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করে রায় বেরোয়। যাতে এর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন রাহুল গান্ধি। বর্তমানে রাহুল গান্ধিও এই মামলায় জামিন পেয়েছেন।
এই অবধি ঠিক ছিল রায় দান ও দোষী সাব্যস্ত কিন্তু এর পিছনে আরো বড় আঘাত লুকিয়ে ছিল তা কয়েক ঘন্টার মধ্যেই প্রকাশ পায়।তড়িঘড়ি করেই শাসক দলের পক্ষ থেকে তার সদস্যপদ বাতিলের পথে হাটে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে।গ্রেফতার এর আগেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত বিরোধী কণ্ঠস্বর এর কন্ঠরোধ করার প্রচেষ্টা বলে বিরোধীরা অভিযোগ করে।এর আগেও সংসদে বিরোধীদের কথা বলার সময় ১৫ মিনিট মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।যদিও তখন দাবি করা হয়েছিল প্রযুক্তির ত্রুটি।
যে প্রক্রিয়ায় সদস্যেপদ খারিজ হলো তাতে সরকার বিরোধী বক্তব্য দমনের প্রচেষ্টা হিসেবেই দেখছে কংগ্রেস।দেশ জুড়ে গণতন্ত্র বাঁচানোর লক্ষ্যে রাজপথে জনমত গঠনের ডাক দিয়েছেন তারা।একাধিক বিরোধী দল আজ কংগ্রেসের পাশে।সিপিআইএম থেকে সমাজবাদী পার্টি,ডিএমকে সহ একাধিক দল সরব হয়েছে।বেশ তাৎপর্য ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো প্রতিক্রিয়া উঠে আসেনি।


