যে রোগের কবলে একবার পড়লে বাঁচার আশা বড়ই ক্ষীণ। সর্বস্ব খুইয়ে পথে বসলেও রোগীর ঘরে ফেরা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। সেই ক্যানসারের (Cancer) চিকিত্সাতে লুঠ হয়ে যাচ্ছে টাকা? অভিযোগ আসছে এ রাজ্য থেকেই। অভিযোগ, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় পরোক্ষভাবে হচ্ছে লুঠ।
আরও অভিযোগ, বাড়তি মুনাফার জন্য রোগীদের মাত্রাতিরিক্ত কেমো দেওয়া হচ্ছে। প্রেসক্রাইব করছেন চিকিত্সরা। এদিকে এপ্রিল ও মে মাসে কেমোথেরাপির (Chemotherapy Treatment) ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দুটি নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ভবন। এই দুই নির্দেশিকা থেকেই প্রশ্ন উঠছে, বাড়তি অর্থের জন্যই কী প্রয়োজন না থাকলেও কেমো থেরাপি করতে বলা হচ্ছে?
নজরে বেসরকারি হাসপাতাল, নার্সিংহোমের ভূমিকা। রেডিয়েশন অঙ্কোলজি, সার্জিক্যাল অঙ্কোলজি, মেডিক্যাল অঙ্কোলজির পরিকাঠামো থাকলে তবেই একটা বেসরকারি ক্যানসার হাসপাতাল কেমো দিতে পারে। কিন্তু, তাহলে সব ঠিকঠাক থাকলে কেন দুটি নির্দেশিকা জারি করতে হল? টিভি-৯ বাংলার হাতে এ বিষয়ে রয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। কেমো থেরাপির খাতে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে ১৬ কোটি ৭৫ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা সরকারের কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোম। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে এখন নথিভুক্ত কেমো থেরাপি পাওয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। সূত্রের খবর, এই প্রকল্পে ক্যানসার চিকিত্সায় বছরে রাজ্যের খরচ হচ্ছে সাড়ে তিনশো কোটি টাকা।


