শংকর পাল
প্রবল বৃষ্টির মাঝেই অগত্যা পথে নামতেই হলো অনিক কে আজ যে ইয়ার এন্ড।অফিসের হিসেবের খাতাগুলি আজ সারতে হবে না হলে অডিটের খুঁতখুটানি আর অফিসের বসের ধ্যতানি।ব্যাঙ্গালোরে চাকরির মোটা মাইনের লোভ তা সামলাতে পারেনি অনিক বউ কে নিয়ে ঝা চকচকে শহরে এক নতুন সংসারের স্বপ্ন দেখা ।বিয়ের ২ বছরের মধ্যে একসাথে ব্যাঙ্গালোরে এসে খানিকটা গোছাতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে শিখাকে।সঙ্গে ডাক্তারের কড়া নির্দেশ ভারী কিছু তোলা যাবে না।সন্তান প্রসবের দিন যে আসন্ন ,ব্যাঙ্গালোর যাওয়ার আগে কোলকাতা তে প্রথম ডেলিভারি করার ইচ্ছে থাকলেও তা সফল হলো না।যদিও বাবা মা শাশুড়ি কলকাতাতেই শিখাকে থাকতে বলেছিল।তবু শিখা চায় নি প্রথম ডেলিভারি হাসব্যান্ডকে ছেড়ে থাকতে।অবশেষে ব্যাঙ্গালোরে ।।।
অনিক অনেক কষ্টে অফিসে পৌছালো দুর্যোগের আশঙ্কা নিয়েই।এদিকে বার বার ফোন করে আপডেটের পাশাপাশি হিসেবের গরমিল যেন উপন্যাসের অধ্যায়।কাজ করতে করতে সেন বাবু র হাত ঘাড়ে পৌঁছাতেই একটু সম্বিৎ ফিরে এলো অনিকের।অনিক বাবু আজ ছুটি নিলেই পারতে। বাড়িতে বউ সন্তান সম্ভাবা এই দুই দিন ঘরে থাকতেই পারতে।কে বোঝাবে সেন বাবুকে দায়িত্ব কাকে বলে।
কাজ করতে করতে আচমকা বিদ্যুতের আওয়াজে যেন চমকে উঠলো দুপুর হলেও আকাশ দেখে মনে হলো রাত্রি দর্শন।ঘন কালো চাদরে ঢেকে ফেলেছে গোটা শহরকে।এমন সময় ফোন বেজে উঠলো শিখার, তাহলে কি শিখা কোনো বিপদে?
জানতে হলে চোখ থাকুক পরের পর্বে।।।


