কিউবায় বিকল্প শিক্ষার সন্ধান
–ময়ূখ বিশ্বাস
শ্রমিক মহল্লার স্কুল। ১৪০ জন পড়ুয়া। প্রি-স্কুল থেকে ক্লাস সিক্স অবধি। প্রতি ক্লাসে ২০ জন। শিক্ষক ১৯ জন। শিক্ষা কর্মী ১৩ জন। না দেখলে বিশ্বাসই হতো না। এরকমও হয়। এটাই সমাজতন্ত্র। আর অন্যদিকে এরকমই শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যে লড়ে যাচ্ছে ভারতে এসএফআই। ইন্টারনেট নেই। যখনই আসছে দেখছি ১২০০০ কিমি দূর থেকে আমার কমরেড বৃষ্টি ভিজে বসে কলকাতার রাস্তায় বা দিল্লির রাজপথে লড়ছে।
এই সমাজতান্ত্রিক কিউবা সাক্ষরতার ক্ষেত্রে গোটা পৃথিবীর কাছে মডেল তৈরি করেছে। ছাত্র শিক্ষক অনুপাত মার্কিনদের থেকে তো ভালোই। উন্নত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর থেকেও ভালো।
কিউবা এমন মডেল তৈরী করেছে, যেখানে একজন নিরক্ষর মানুষ মাত্র সাত সপ্তাহের লেখাপড়া শিখতে পারেন। এটা ভিডিও ভিত্তিক তাই শিক্ষকের দরকার হয় না। কিউবার বিপ্লবের দু'বছরের মধ্যেই শেষ হয়েছিল নিরক্ষরতা মুক্তি অভিযান। ১৯৬১ সালের মধ্যেই কিউবা নিরক্ষরতার অন্ধকার মুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে।
শিক্ষা হয় সার্বজনীন। পৌঁছে যায় প্রত্যন্ত প্রান্তে। আর এই বিপুল কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজার ১৯৬০ সালে তেইশে আগস্ট গড়ে উঠেছিল উইমেন্স ফেডারেশন। কিউবার প্রথম মহিলা ইঞ্জিনিয়ার বিপ্লবী ভিলেমা এসপিন এর নেতৃত্বে। বাকার্ডি পরিবারের মেয়ে তিনি। সবকিছু ছেড়েছুড়ে বিপ্লবের ঝাঁপিয়ে পড়েন।
সেরকম অভিজ্ঞতা হলো এমন এক স্কুলে গিয়ে। যেখানে গ্রামের প্রাথমিক স্কুলে সেরা শিক্ষাটা দেওয়া হয়।






