উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের দ্বন্দ্ব এখন চরমে। রাজ্যপাল সি.ভি আনন্দ বোস শনিবার সকালে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, আজ মাঝরাতের মধ্যে ব্যবস্থা নেবেন। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু। রাজ্যপালকে পাল্টা দেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি রাজ্যপালকে ভ্যাম্পায়ার বলে কটাক্ষ করেন। এরই মধ্যে জানা গেল, রাজ্যপাল মাঝরাতে দুটি খামবন্দি চিঠি পাঠালেন নবান্ন ও দিল্লির উদ্দেশে।
সাম্প্রতিক সময়ে উপাচার্য নিয়োগের ব্যাপার এবং রাজ্যপালকে উল্লেখ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েই দিল্লিকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল। সেই চিঠিতে উল্লেখ আছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গও। আপাতত রাজভবন সূত্রে খবর এমনই। যদিও দুটি চিঠির বিষয়বস্তু নিয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। এমনকী দিল্লিতে চিঠি কার কাছে পাঠানো হয়েছে, তারও কোনও তথ্য নেই। তবে চিঠি দুটি এই পরিস্থিতিতে যে যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
নবান্নের প্রতিক্রিয়া
রাজ্যপালের চিঠির বিষয়ে নবান্নের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, রাজ্যপালের চিঠির কোনও গুরুত্ব নেই। তিনি বলেন, রাজ্যপালের চিঠি হল তাঁর ভগ্ন মনোবলের বহিঃপ্রকাশ।
রাজ্যপালের উদ্দেশ্য কী?
রাজ্যপালের চিঠির উদ্দেশ্য কী তা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে রাজ্যপালের ঘনিষ্ঠ মহলের সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল হয়তো কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের শাসন ক্ষমতা হস্তান্তরের সুপারিশ করতে পারেন। তবে এটিও হতে পারে যে তিনি রাজ্যের শাসনকে স্থগিত করার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।
রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতের ইতিহাস
রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত নতুন নয়। পশ্চিমবঙ্গে এই সংঘাতের ইতিহাস বহু বছরের। তবে গত কয়েক বছরে এই সংঘাত আরও বাড়তে শুরু করেছে।


