দুর্গাপুর, ২০ অক্টোবর, ২০২৩: বোনাসের দাবিতে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানায় লাগাতার আন্দোলন শুরু হতেই কর্তৃপক্ষের দমন নীতির শিকার হয় সিআইটিইউ নেতা সীমান্ত চ্যাটার্জি এবং এইচ এম এস নেতা সুকান্ত রক্ষিত।তাদের অনির্দিষ্টকালীন সাসপেন্ড করা হয়।কারখানায় বোনাসের পাশাপাশি সাসপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে শুরু হয় আন্দোলন।আন্দোলনের রেশ পৌঁছায় দিল্লি অবধি।সেইলের দেশের বিভিন্ন কারখানাতেও অভূতপূর্ব বিক্ষোভ দেখা যায়।
যৌথ শ্রমিক আন্দোলনের পর অবশেষে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের আন্দোলনকে মান্যতা দিয়ে।সিআইটিইউ নেতা সীমান্ত চ্যাটার্জি এবং এইচ এম এস নেতা সুকান্ত রক্ষিত এর সাসপেনশন প্রত্যাহার করে।দুই নেতা আজকেই কাজে যোগদান করেছেন।
আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সিআইটিইউ নেতা সীমান্ত চ্যাটার্জি বলেন, "আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা আমাদের অধিকার রক্ষা করতে হবে।কর্তৃপক্ষের দমন নীতির বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি।আমাদের জয় তখনই আসবে যখন শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পূরণ হবে।৩৯ মাসের বকেয়া পাওয়া যাচ্ছে না,এবার বোনাস চুক্তিও হলো না।এমন অবস্থায় যৌথ আন্দোলন করেই আমরা দাবি ছিনিয়ে আনবো।
এই আন্দোলনের মাধ্যমে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানার শ্রমিকরা তাদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করেছে।আন্দোলনের মাধ্যমে তারা দেখিয়ে দিয়েছে যে, তারা তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে প্রস্তুত।
আন্দোলনের বিস্তারিত
বোনাসের দাবিতে দুর্গাপুরের ইস্পাত কারখানায় শ্রমিক আন্দোলন শুরু হয় গত ১০ অক্টোবর।আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় সিআইটিইউ এবং এইচ এম এস।আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই কর্তৃপক্ষ দমন নীতি গ্রহণ করে।সিআইটিইউ নেতা সীমান্ত চ্যাটার্জি এবং এইচ এম এস নেতা সুকান্ত রক্ষিতকে অনির্দিষ্টকালীন সাসপেন্ড করা হয়।সাসপেনশনের প্রতিবাদে শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে অবস্থান নেয়।আন্দোলনের খবর ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি অবধি।
আন্দোলনের চতুর্থ দিনে সেইলের দেশের বিভিন্ন কারখানাতে অভূতপূর্ব বিক্ষোভ দেখা যায়।
আন্দোলনের পঞ্চম দিনে কর্তৃপক্ষ সিআইটিইউ নেতা সীমান্ত চ্যাটার্জি এবং এইচ এম এস নেতা সুকান্ত রক্ষিত এর সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়।


