৫০ দিন ধরে চলা অবশেষে পথ চলার অবসান ইনসাফ যাত্রার বাংলার বুকে মুক্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়ার এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো যাদবপুর।বঙ্গের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্র যাদবপুর আজ সোচ্চার কন্ঠ।হাজার হাজার মানুষের কন্ঠ গাইলো কারা হৈ লৌহকপাট।ইনসাফ যাত্রার শুরু যখন কুচ বিহার থেকে শুরু হয় তখন বঙ্গের কোনো রাজনৈতিক বিশ্লেষক ভাবেন নি কতটা আবেগ তৈরি করতে সক্ষম হবে ।কিন্তু সমস্ত ভাবনাকে মিথ্যে প্রমান করে যাদবপুরের বুকে ইতিহাস তৈরী করলো।
কি ছিল এই দীর্ঘ যাত্রাপথের ইনসাফ যাত্রায় , রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার শপথের পাশাপাশি শিক্ষায় দুর্নীতির বেড়াজাল ছিন্ন করার প্রয়াস ।সেই সঙ্গে রাজ্যের সম্মান বেকার যুবদের কাজের অধিকারকে স্বীকৃত করার দাবি নিয়ে বাম যুব সংগঠন ডি ওয়াই এফ আই মীনাক্ষী মুখার্জি ও দ্রুবজ্যোতি সাহার নেতৃত্বে কিছু পদযাত্রীদের নি
যাত্রাপথে একাধিক জেলা তাদের সামনে এসে দাঁড়ায় , প্রতিটি জেলার বিভিন্ন দাবি ও যুক্ত হয় এই ইনসাফ যাত্রায়।ইনসাফ চেয়েছে প্রতিটি গ্রাম ,মহল্লা কিংবা শহর রাজ্যে অপশাসনের বিরুদ্ধে।ইনসাফ যাত্রা ছিল এক মুক্তির বাতাস সেই বাতাসে ভেসে এসেছে লড়াইয়ের মন্ত্র।যে রাস্তা দিয়ে এগিয়েছে সেই রাস্তা ভরে গিয়েছে মানুষের ভিড়ে।রাজনীতির মঞ্চে না থাকার মানুষ গুলির সংখ্যাই যেন বেশি করে দেখা যাচ্ছিল।বঙ্গের রাজনীতিতে লাঙল যার জমি তার যে আবেগ সৃষ্টি করেছিল ,এবারের ইনসাফ যাত্রা যেন সেই আবেগ তৈরি করলো গোটা বাংলা জুড়ে।
আগামী ৭ ই জানুয়ারি এই ইনসাফ যাত্রার স্লোগান আছড়ে পড়বে ব্রিগেড ময়দানে, যৌবনের ব্রিগেড সেদিন বাংলার রাজনীতির সমীকরণে এক নতুন স্রোত বয়ে আনবে বাম রাজনীতিতে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
এবারের ইনসাফ যাত্রায় যে বিষয়টি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো যুবক যুবতীদের আবেগ পদযাত্রীদের যেভাবে তারা বরণ করলো তাতে স্পষ্ট বার্তা বাংলার ভবিষ্যৎ আগামীদের হাতে।যারা বাম আন্দোলনের লাইট হাউসের কাজ করবে।ইনসাফ যাত্রার আরেকটি বড় ভূমিকা বাড়ির মহিলাদের আবেগ। দুয়ারে সরকারের প্রকল্প যখন মহিলাদের এক বার্তা দিয়েছে , তেমনি ডি ওয়াই এফ আই এর বার্তা সবার হাতে কাজ সবার পেটে ভাত ।সেই স্লোগানে গলা মিলিয়েছে বাংলার মহিলারা।
আগামীতে নির্বাচন কতটা প্রভাব বিস্তার করবে এই ইনসাফ যাত্রা তা নিয়ে আলোচনা চলবে কিন্তু এই যাত্রা ঘিরে মানুষের আবেগ রিতিমতন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বতমান শাসক দল তৃণমূলকে।ইনসাফ চাইতে বাংলা এক যাত্রাপথের সূচনা করলো যার পরিনাম আগামীর বাংলার রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে চলছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই।


