দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের (ডিএসপি) কোক ওভেন ব্যাটারি নং ১০ বন্ধ না করা: এ যেন দুর্গাপুরের ফুসফুসকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা! এই ব্যাটারি বন্ধ হলে শুধু চিমনিগুলোই নিভে যাবে না, নিভে যাবে শত শত পরিবারের রুটিরুজির আলো।দুর্গাপুরের অ্যালোয় স্টিল প্ল্যান্ট (এএসপি) পুনরুজ্জীবিত করা: একদা দুর্গাপুরের গৌরব এএসপি আজ নিজেই রুগ্ন। তাকে আবার বাঁচিয়ে তোলার দাবি আসলে অতীতকে ফিরিয়ে আনার, হারানো সম্মানকে পুনরুদ্ধার করার এক আবেগঘন সংগ্রাম।রাস্ট্রীয় ইস্পাত নিগমের দুর্গাপুর ডিসিএল কারখানার আধুনিকীকরণ: জীর্ণ ডিসিএল কারখানার আধুনিকীকরণ শুধু কিছু যন্ত্রপাতির পরিবর্তন নয়, এটা শ্রমিকদের বুকে নতুন করে আশার সঞ্চার করা।দুর্গাপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনের (ডিটিপিএস) ৫০০ মেগাওয়াট ইউনিট চালু করা: এই ইউনিট চালু হলে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই বাড়বে না, বাড়বে কর্মসংস্থান। অন্ধকার কাটিয়ে আলোর দিশা দেখতে পাবে অসংখ্য মানুষ।সমস্ত শূন্য সরকারি পদে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ: সরকারি পদগুলিতে স্থায়ী নিয়োগের দাবি যেন বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত তরুণ সমাজের শেষ আশ্রয়।স্থায়ী কাজের জন্য ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ বন্ধ করা: ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে শোষণ আর অনিশ্চয়তার জাঁতাকল থেকে মুক্তি চাইছে শ্রমিকরা। তারা চায় সম্মানজনক স্থায়ী কাজ, যেখানে তাদের ঘামের দাম পাওয়া যাবে।স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দেওয়া: এ যেন নিজের ঘরের ছেলে-মেয়েদের পেটে ভাত জোগানোর আকুতি। স্থানীয়দের কাজের সুযোগ না দিলে এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে।মেম্যাক ও এইচএফসি-র মতো বন্ধ কল-কারখানা ফের চালু করা: এই কারখানাগুলি শুধু ইটের দালান নয়, এগুলি ছিল দুর্গাপুরের ইতিহাসের অংশ, অসংখ্য মানুষের স্বপ্ন আর জীবনের উৎস। তাদের আবার সচল করার দাবি আসলে এক সমৃদ্ধ অতীতকে ফিরিয়ে আনার মরিয়া চেষ্টা।
দুর্গাপুরে সিআইটিইউ-এর ডাকে শ্রমিক সমাবেশ: শিল্পাঞ্চল রক্ষায় বুকফাটা আর্তনাদ! Durgapur: CITU Calls for Workers' Rally Amidst Industrial Decline, Demanding Revival of Factories and Workers' Rights
09 September
Tags


