" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory #ThrowbackThursday: ফিরে দেখা ২০০৫— কারাকাসের বুকে যখন ১৭ হাজার তরুণ গর্জে উঠেছিল সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

#ThrowbackThursday: ফিরে দেখা ২০০৫— কারাকাসের বুকে যখন ১৭ হাজার তরুণ গর্জে উঠেছিল সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে

 



কারাকাস: আজ থেকে প্রায় দুই দশক আগে, ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস হয়ে উঠেছিল বিশ্ব তারুণ্যের মিলনক্ষেত্র। উপলক্ষ ছিল ১৬তম 'বিশ্ব যুব ও ছাত্র উৎসব' (World Festival of Youth and Students)। সেই সময় ভেনেজুয়েলা ছিল লাতিন আমেরিকার বলিভারিয়ান বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু, আর নেতৃত্বে ছিলেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ।

"শান্তি ও সংহতির জন্য, আমরা লড়ি সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে"— এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় ১৭,০০০ ছাত্র এবং যুব শ্রমিক সমবেত হয়েছিলেন কারাকাসে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই— বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, শোষণ এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে আওয়াজ তোলা।



কেন ঐতিহাসিক ছিল এই উৎসব?

২০০৫ সালের সেই সময়টা ছিল বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত উত্তাল। ইরাক যুদ্ধ এবং বিশ্বজুড়ে নব্য-উদারবাদী অর্থনীতির প্রভাবের বিরুদ্ধে তখন তরুণ প্রজন্ম ফুঁসছিল। ঠিক সেই সময়েই বামপন্থী ও প্রগতিশীল ছাত্র-যুবরা কারাকাসের মাটিতে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন যে, অন্য এক পৃথিবী সম্ভব।

উৎসবের দিনগুলোতে কারাকাসের রাজপথ মিছিলে, স্লোগানে এবং গানে মুখরিত ছিল। একদিকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী তীব্র স্লোগান, অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির আদান-প্রদান— সব মিলিয়ে এক অভূতপূর্ব সংহতির সাক্ষী ছিল ভেনেজুয়েলা।



হুগো চাভেজের উপস্থিতি

এই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজ। তিনি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, "সাম্রাজ্যবাদকে পরাজিত করে সমাজতন্ত্রই পৃথিবীকে রক্ষা করতে পারে।" তাঁর উদ্দীপনামূলক বক্তব্য সেদিন উপস্থিত হাজার হাজার তরুণের মধ্যে নতুন করে লড়াইয়ের স্বপ্ন বুনে দিয়েছিল।

আজ এত বছর পরেও ১৬তম বিশ্ব যুব উৎসবকে স্মরণ করা হয় তারুণ্যের স্পর্ধা এবং আন্তর্জাতিক সংহতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies