" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory "বিড়ি শ্রমিকদের বড় জয়! ঠিকাদারের অধীনে কাজ করলেও প্রভিডেন্ট ফান্ড বাধ্যতামূলক: মাদ্রাজ হাইকোর্ট" //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

"বিড়ি শ্রমিকদের বড় জয়! ঠিকাদারের অধীনে কাজ করলেও প্রভিডেন্ট ফান্ড বাধ্যতামূলক: মাদ্রাজ হাইকোর্ট"



চেন্নাই: দেশের শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থে এক ঐতিহাসিক রায় দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, কোনো মধ্যস্থতাকারী সংস্থা বা এজেন্সির মাধ্যমে নিযুক্ত "বিড়ি রোলার" বা বিড়ি শ্রমিকদেরও 'এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড' (EPF) আইনের আওতায় 'কর্মী' হিসেবে গণ্য করতে হবে। ফলে তাঁরা প্রভিডেন্ট ফান্ডের সমস্ত সুবিধা পাওয়ার যোগ্য।



ঘটনার প্রেক্ষাপট:

মামলাটি ছিল 'মেসার্স সেয়াদু বিড়ি কোম্পানি' (M/s. Seyadu Beedi Company) বনাম আঞ্চলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনারের মধ্যে। অভিযোগ ছিল, কোম্পানিটি 'মেসার্স রাজন ট্রেডার্স' নামক একটি মধ্যস্থতাকারী সংস্থার মাধ্যমে বিড়ি তৈরি করিয়ে নিত এবং নিজেদের ব্র্যান্ড নামে তা বাজারে বিক্রি করত। ২০০১ সালে জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন অভিযোগ করে যে, প্রায় ৮০০ কর্মীকে পিএফ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে। কোম্পানিটির দাবি ছিল, শ্রমিকরা সরাসরি তাদের অধীনে কাজ করেন না, বরং তাঁরা স্বনির্ভর কর্মী হিসেবে রাজন ট্রেডার্সকে বিড়ি সরবরাহ করেন।



আদালতের পর্যবেক্ষণ:

বিচারপতি কে. সুরেন্দরের একক বেঞ্চ এই মামলার শুনানি চলাকালীন কোম্পানির যুক্তি খারিজ করে দেন। আদালত জানায়:

১. শ্রমিক স্বার্থ রক্ষা: ইপিএফ (EPF) আইন একটি কল্যাণমুখী আইন, যা কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।

২. ছদ্মবেশী ব্যবস্থা: আদালত তদন্তের পর লক্ষ্য করে যে, 'রাজন ট্রেডার্স' আসলে মূল কোম্পানিরই একটি বেনামি ইউনিট ছিল। পিএফ আইনের দায়বদ্ধতা এড়ানোর জন্যই এই কৌশলী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।

৩. কর্মীর সংজ্ঞা: মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে কাজ করলেও, কাজের ধরণ অনুযায়ী ওই শ্রমিকরা কোম্পানিরই কর্মী হিসেবে বিবেচিত হবেন।



রায়ের গুরুত্ব:

আদালত আঞ্চলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনারের আগের আদেশ বহাল রেখেছে এবং কোম্পানির দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এই রায়ের ফলে অসংগঠিত ক্ষেত্রের হাজার হাজার বিড়ি শ্রমিক, যাঁরা দীর্ঘকাল ধরে ঠিকাদার বা এজেন্সির অধীনে কাজ করে বঞ্চনার শিকার হচ্ছিলেন, তাঁদের পিএফ-এর মতো আইনি সুরক্ষা পাওয়ার পথ প্রশস্ত হলো।



বিচারপতি তাঁর রায়ে উল্লেখ করেন যে, কোম্পানি যে "সন্দেহজনক পদ্ধতি" অবলম্বন করুক না কেন, নিবিড় পর্যবেক্ষণে এটি স্পষ্ট যে ওই শ্রমিকরাই কোম্পানির প্রকৃত চালিকাশক্তি এবং তাঁরা প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুবিধা পাওয়ার পূর্ণ দাবিদার।



Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies