" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত

 


তেহরান ও জেরুজালেম — মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার এক চরম পর্যায়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং দেশটির শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং ইরান সরকার পৃথক বিবৃতিতে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও নিশ্চিতকরণ

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, গত রাতে ইরানের অভ্যন্তরে একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও টার্গেটেড বিমান হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এই অভিযানকে সফল হিসেবে অভিহিত করে লারিজানির মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আনেন।

প্রাথমিকভাবে ইরান বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও, পরবর্তীকালে দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম লারিজানির নিহতের খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে। তাকে দেশের একজন ‘শহীদ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, একই হামলায় ইরানের আধাসামরিক বাহিনী বাসিজ-এর কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হয়েছেন।

আলী লারিজানির রাজনৈতিক গুরুত্ব

আলী লারিজানিকে ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরানের অন্যতম প্রধান নীতি-নির্ধারক হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি ছিলেন:

  • সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব এবং কার্যত দেশটির নিরাপত্তা প্রধান।

  • ইরানের সংসদের (মজলিস) দীর্ঘকালীন স্পিকার

  • পশ্চিমা শক্তিগুলোর সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক আলোচনার এক সময়ের প্রধান মধ্যস্থতাকারী

সাম্প্রতিক সময়ে তেহরানে এক জনসভায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের পাশে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন লারিজানি। তার এই মৃত্যু ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আঞ্চলিক প্রভাব ও সমীকরণ

বিশ্লেষকদের মতে, ২০২০ সালে কাসেম সোলেইমানি হত্যার পর এটিই ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক ও সামরিক আঘাত। এই অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল না কি গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করেছে, তা নিয়ে জল্পনা থাকলেও ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ইরান যে কোনো সময় ইসরায়েলি বা মার্কিন স্বার্থে পাল্টা আঘাত হানতে পারে, যা অঞ্চলটিকে একটি বৃহত্তর যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies