" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory নির্বাচন কমিশনকে সুরক্ষায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ: মধ্য কলকাতায় ৬০ দিনের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল লালবাজার //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

নির্বাচন কমিশনকে সুরক্ষায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ: মধ্য কলকাতায় ৬০ দিনের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল লালবাজার

 


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুলিশ। শহরের প্রাণকেন্দ্র তথা মধ্য কলকাতার একাংশে আগামী ৬০ দিনের জন্য সমস্ত ধরনের মিছিল, জনসভা এবং জমায়েতের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মূলত নির্বাচন কমিশনের (ECI) রাজ্য দপ্তর এবং কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কড়া পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।


নিষেধাজ্ঞার খুঁটিনাটি


কলকাতা পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকার ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’র (BNSS) ১৬৩ ধারার অধীনে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আদেশে বলা হয়েছে:

  • সময়সীমা: ৪ মার্চ থেকে ২ মে, ২০২৬ পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

  • এলাকা: মধ্য কলকাতার ডোরিনা ক্রসিং থেকে শুরু করে হেয়ার স্ট্রিট সংলগ্ন এলাকা যেখানে নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) অফিস অবস্থিত।


কেন এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত?


পুলিশি সূত্রের খবর, গত নভেম্বর মাসে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া চলাকালীন বিএলও-দের (BLO) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে একটি ‘গুরুতর নিরাপত্তা লঙ্ঘন’ (Security Breach) ঘটেছিল। এরপরই ভারতের নির্বাচন কমিশন নজিরবিহীনভাবে লালবাজারকে চিঠি লিখে সিইও এবং অন্যান্য আধিকারিকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দেয়। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ বা কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছিল কমিশন।


রাজনীতির উত্তাপ ও ‘নজিরবিহীন’ তকমা


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের ঠিক আগে একটানা ৬০ দিনের জন্য এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা কলকাতায় কার্যত বিরল। বিশেষ করে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ধরনা কর্মসূচি পালন করছেন, তখন এই পুলিশি নির্দেশিকা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

বিরোধী দলগুলি যেখানে কমিশনের স্বাধীন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি তুলছে, সেখানে শাসক দল এই নিষেধাজ্ঞাকে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের চেষ্টা হিসেবে দেখছে। এর আগে বিজেপি-র সভার অনুমতি না দেওয়া নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল পুলিশকে, তবে এবারের আদেশটি নির্দিষ্ট কোনো দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের নিরাপত্তা বলয় হিসেবে কাজ করবে।


প্রভাব


এই নির্দেশের ফলে মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন বড় কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগে পুলিশের এই পদক্ষেপ আদতে রাজপথের লড়াইকে কতটা স্তিমিত করতে পারবে, সেটাই এখন দেখার।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies