আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ভোটার তালিকা থেকে কারোর নাম অন্যায়ভাবে বাদ পড়া রুখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভোটের আগে পর্যন্ত সংশোধন ও আপিল প্রক্রিয়া চালু থাকবে। আজকের প্রধান আপডেটগুলো হলো:
অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল (Appellate Tribunal) গঠন: সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ গেছে (Exclusion), তাদের আপিল শোনার জন্য হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এবং বিচারপতিদের নিয়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।
সাপ্লিমেন্টারি বা অতিরিক্ত তালিকা: আদালত জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে তা চূড়ান্ত হলেও সংশোধন থেমে থাকবে না। বিচার বিভাগীয় অফিসাররা (JOs) প্রতিদিন যে হাজার হাজার মামলার নিষ্পত্তি করছেন, সেই অনুযায়ী কমিশনকে সময় সময় 'সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট' প্রকাশ করতে হবে। অর্থাৎ, ভোট গ্রহণের আগে পর্যন্ত যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার সুযোগ থাকছে।
কাজের অগ্রগতি: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছেন যে, ৯ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ১০.১৬ লক্ষ আপিল ও অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড থেকে প্রায় ৭০০ জন বিচার বিভাগীয় অফিসার দিনরাত এই কাজ করছেন।
নির্বাচন কমিশনের প্রতি কড়া বার্তা: ভোটার তালিকায় জালিয়াতি রুখতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে নজর দিতে বলেছে আদালত। পোর্টালের কারিগরি সমস্যা দ্রুত মেটাতে এবং বিচারকদের সবরকম লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজকের খবরের সারসংক্ষেপ (১০ মার্চ, ২০২৬)
| মূল পয়েন্ট | আদালতের নির্দেশ / আপডেট |
| নতুন ট্রাইব্যুনাল | বাদ পড়া ভোটারদের জন্য প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে 'অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল' হবে। |
| অতিরিক্ত তালিকা | মামলার নিষ্পত্তি অনুযায়ী নিয়মিত সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। |
| খরচ কে দেবে? | এই পুরো বিচার প্রক্রিয়ার খরচ ভারত নির্বাচন কমিশন (ECI) বহন করবে। |
| ভোট কি পিছিয়ে যাবে? | ভোট পেছানোর কোনো নির্দেশ আজ দেওয়া হয়নি; তবে তালিকা ত্রুটিমুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। |
গুরুত্বপূর্ণ নোট: আদালত জানিয়েছে যে, 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি' বা তথ্যের অমিলের কারণে যাদের নাম 'অ্যাডজুডিকশন' (Adjudication) ক্যাটাগরিতে আছে, তাদের শুনানি দ্রুত শেষ করতে হবে যাতে তারা আসন্ন ভোটে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।


