২৩শে এপ্রিল অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ৬২ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। উত্তরবঙ্গ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দুর্গাপুর-আসানসোল বলয় সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জেলায় ভোটগ্রহণ পর্ব চলছে।
সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হলেও, বেশ কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে।
ভোটদানের হার নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যে সামগ্রিক ভোটদানের হার ছিল ৪১ শতাংশেরও বেশি, যা দুপুর ১টার মধ্যে ৬২ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। সকাল ১১টা পর্যন্ত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জেলার ভোটদানের পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো:
পশ্চিম মেদিনীপুর: ৪৪.৬৯%
ঝাড়গ্রাম: ৪৩.৭১%
বাঁকুড়া: ৪৩.২২%
পূর্ব মেদিনীপুর: ৪২.১৬%
বীরভূম: ৪১.৯২%
মুর্শিদাবাদ: ৪১.৫৯%
পশ্চিম বর্ধমান: ৪০.২৪%
বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও অভিযোগ রাজ্যের কিছু অংশে বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে:
বীরভূম: মুরারইয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন কংগ্রেস কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, লাভপুরে বিজেপির এক নির্বাচনী এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে, যাকে পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নওদা: ভোট চলাকালীন নওদায় উত্তেজনা ছড়ায় এবং একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে।
মুর্শিদাবাদ: ডোমকলে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক থাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের নিরাপত্তা দিয়ে বুথে নিয়ে যায়। গোরামাখালে তৃণমূল প্রার্থী চন্দন মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেয়।
দক্ষিণ দিনাজপুর: কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থীকে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তৃণমূল কর্মীদের তাড়া করার ঘটনায় নির্বাচন কমিশন পুলিশ সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে।
সকাল ১১টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে সরাসরি ২৬০টি এবং 'cVIGIL' অ্যাপের মাধ্যমে আরও ৩৭৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।


