" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory ইম্পা (EIMPA)-এর শীর্ষ নেতৃত্বে ডামাডোল: বিক্ষোভ, রাজনৈতিক তরজা এবং প্রিয়া সেনগুপ্তের অপসারণ //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

ইম্পা (EIMPA)-এর শীর্ষ নেতৃত্বে ডামাডোল: বিক্ষোভ, রাজনৈতিক তরজা এবং প্রিয়া সেনগুপ্তের অপসারণ

 


কলকাতার চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম প্রাচীন এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য সংগঠন, ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন (EIMPA)-তে বর্তমানে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। সংগঠনের প্রথম মহিলা সভাপতি প্রিয়া সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল টলিউডের প্রযোজক ও পরিবেশকদের একাংশ।

ইম্পা (EIMPA) এবং নেতৃত্বের প্রেক্ষাপট

১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি পূর্বে 'বেঙ্গল মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন' নামে পরিচিত ছিল। এটি সমগ্র পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক এবং প্রদর্শকদের স্বার্থ রক্ষা ও বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।

  • প্রথম মহিলা সভাপতি: ২০১৯ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভের পর, ২০২১ সালের নির্বাচনে প্রিয়া সেনগুপ্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ইম্পা-র সভাপতি পদে বসেন এবং সংগঠনের ইতিহাসে প্রথম মহিলা সভাপতি হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

  • অন্যান্য নেতৃত্ব: সেই সময় প্রযোজক শাখার চেয়ারপার্সন হিসেবে বিজয় কল্যাণী, প্রদর্শক শাখায় রতন সাহা এবং পরিবেশক শাখায় সরোজ মুখোপাধ্যায় দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন।

বর্তমান বিবাদের সূত্রপাত ও রাজনৈতিক অভিযোগ

সাম্প্রতিক সময়ে ইম্পা-র কার্যপ্রণালী নিয়ে প্রযোজক ও পরিবেশকদের একটি বড় অংশের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা এই মে ২০২৬-এ চরম আকার ধারণ করেছে। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি ও অভিযোগগুলি হলো:

  • রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব: ২০২১ সালে প্রিয়া সেনগুপ্ত এবং অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যোগ দেন। সমালোচকদের দাবি, সংগঠনের সিদ্ধান্তে এই রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব পড়ছে এবং ইম্পা তার রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা হারিয়েছে।

  • স্বচ্ছতার অভাব: সংগঠনের কার্যকর্মে স্বচ্ছতা আনা এবং অনতিবিলম্বে একটি নতুন স্ক্রিনিং কমিটি গঠনের জোরালো দাবি জানানো হয়।

প্রিয়া সেনগুপ্তের প্রতিক্রিয়া: তিনি রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে জানান যে, ইম্পা কোনো রাজনৈতিক আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়, বরং সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।


অফিস ঘেরাও এবং নিরাপত্তা সংকট

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় যখন বিক্ষোভকারীরা টানা কয়েকদিন ধরে ইম্পা-র কার্যালয়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠকের দাবি জানান।

বিক্ষোভ চলাকালীন প্রিয়া সেনগুপ্ত একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে জানান যে, তিনি ইম্পা অফিসে নিজেকে সুরক্ষিত মনে করছেন না। এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে, বিক্ষোভকারীদের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং সংগঠনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


চূড়ান্ত পরিণতি

২০২৬ সালের মে মাসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দ্বন্দ্ব একটি বড় ধরনের নেতৃত্ব সংকটে রূপ নিয়েছে। ইম্পা-র শীর্ষ পদে পরিবর্তনের জন্য সদস্যদের প্রবল চাপের মুখে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, হাউসের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে প্রিয়া সেনগুপ্তকে ইম্পা-র সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। 

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies