" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory রাজ্যে গঠিত সপ্তম পে কমিশন, চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তী: বেতন, ডিএ, পেনশন ও পদোন্নতিতে আসতে পারে বড় পরিবর্তন //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

রাজ্যে গঠিত সপ্তম পে কমিশন, চেয়ারম্যান অতনু চক্রবর্তী: বেতন, ডিএ, পেনশন ও পদোন্নতিতে আসতে পারে বড় পরিবর্তন

 



নতুন বেতন কাঠামোর দিকে নজর
ডিএ ও বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিবেচনা
পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধায় জোর
পদোন্নতি ও কর্মসংস্কৃতিতে সংস্কারের ভাবনা
ছয় মাসের মধ্যে রিপোর্ট
লক্ষাধিক কর্মী ও পেনশনভোগীর নজর

 

কলকাতা, ২৩ জুলাই: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্য সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে সপ্তম পে কমিশন গঠন করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের প্রাক্তন অর্থনৈতিক বিষয়ক সচিব এবং অবসরপ্রাপ্ত আইএএস কর্মকর্তা অতনু চক্রবর্তীকে। অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে কমিশনকে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশপত্র রাজ্য সরকারের কাছে জমা দিতে হবে।

কমিশনের অন্যান্য সদস্য হিসেবে রয়েছেন ড. পার্থ মুখোপাধ্যায়, সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের সিনিয়র ফেলো এবং ড. পার্থপ্রতিম পাল, আইআইএম কলকাতার অর্থনীতির অধ্যাপক। সদস্য-সচিবের দায়িত্বে থাকবেন রাজ্য অর্থ দপ্তরের সচিব দেবীপ্রসাদ কারনাম

কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে বর্তমান রোপা (ROPA)-ভিত্তিক বেতন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে একটি আধুনিক পে ম্যাট্রিক্স প্রস্তাব করা। সরকারের লক্ষ্য, যোগ্য ও দক্ষ কর্মীদের সরকারি পরিষেবায় ধরে রাখা, কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করা।

কমিশন কেন্দ্র ও রাজ্যের মহার্ঘ ভাতার (DA) ব্যবধান কমানোর জন্য একটি বাস্তবসম্মত রূপরেখা তৈরি করবে। পাশাপাশি বাড়িভাড়া ভাতা (HRA), চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা (TA)-সহ অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও পুনর্বিবেচনার আওতায় থাকবে।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন পেনশন কাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার বিষয়েও সুপারিশ করবে কমিশন। প্রবীণ পেনশনভোগীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই অংশের মূল লক্ষ্য।

ক্যাডারভিত্তিক পদোন্নতি নীতিকে আরও স্বচ্ছ, গতিশীল ও কর্মদক্ষতাভিত্তিক করার সুপারিশও কমিশনের কাজের অন্তর্ভুক্ত। একইসঙ্গে সরকারি কর্মীদের ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স বজায় রাখা এবং কর্মপরিবেশ উন্নত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অর্থ দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, কমিশনকে জানুয়ারি ২০২৭-এর মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আর্থিক মূল্যায়ন শেষে মার্চ ২০২৭-এর বাজেট পর্বে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রের অষ্টম বেতন কমিশনের সম্ভাব্য সুপারিশ, রাজ্যের আর্থিক সক্ষমতা এবং কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি—এই তিনটির মধ্যে ভারসাম্য রেখে নতুন কাঠামো তৈরি করা হবে। ফলে রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী এবং পেনশনভোগীরা এই কমিশনের সুপারিশের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies