তারা বলেন আধিকারিকরা পি আর পি হিসেবে এবছরে ধনতেরাসে বড় অংকের টাকা পেতে চলেছে , কিন্তু শ্রমিকদের দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্টের আর্থিক সংকট আসলে শ্রমিকদের হকের টাকা থেকে বঞ্চিত করার ভাবনা।প্রায় ৬ ঘন্টা চলে বৈঠক এর মধ্যেই শ্রমিক সংগঠন তাদের দাবি থেকে সরে আসে নেমে আসে প্রায় ৪৫,০০০ টাকায়।তাতেও চিরে ভেজে না কর্তৃপক্ষ কিছুটা বৃদ্ধি করে ২৫,০০০ টাকা এর কথা বলে ও বলে এখন এই টাকা ইন্টারিম হিসেবে দিয়ে বাকিটা পরে দেওয়ার কথা বললে ক্ষোভে ফেটে পড়েন শ্রমিক প্রতিনিধিরা।বৈঠক ভেস্তে যায় আধিকারিকরা বলে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে তাদের দাবি নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা করতে পারবে।
বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার খবরে শ্রমিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক অসন্তোষ দেখা যায়।কারখানায় ধর্মঘট ডাকার সপক্ষে জনমত গড়ে ওঠে।এদিকে খবরে শোনা যাচ্ছে মাসের শেষের দিকে বেতন মিটিয়ে দিতে পারে সঙ্গে ইন্টারিম পেমেন্ট হতে পারে।শ্রমিক অসন্তোষ রুখতে কর্তৃপক্ষের এই কৌশল ঘিরে বিরোধিতা চরমে উঠেছে।পুজোর আনন্দে যখন গোটা দেশ মেতে উঠেছে সেখানে সেইল এর শ্রমিক মহল্লায় অন্ধকার এবং চরম ক্ষোভে র মধ্যে পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।অনেকেই বোনাসের ভরসায় পুজোর নতুন জামা সন্তানদের দিতে পারেনি।কি হবে কর্তপক্ষের ভূমিকা এই নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।


