প্রবীণ চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চ অভিনেতা বিক্রম গোখলে লম্বা অসুস্থতার পরে ৮২ বছর বয়সে চলে গেলেন না ফেরার দেশে। অভিনেতা কয়েকদিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন ও পুনের দীনানাথ মঙ্গেশকর ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনেতা বিগত কয়েকদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং পরে তার অবস্থার অবনতি হয়। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে অভিনেতা অজয় দেবগন লিখেছেন, "স্যার যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাতে প্রচুর গুরুত্ত্ব নিয়ে এসেছেন। উনি সবসময় গুরুত্ব বহন করতেন। তার সঙ্গে স্ক্রিন টাইম শেয়ার করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তার মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। আমি তার আত্মার আশা করি অবয় শান্তি খুঁজে পায়। আরআইপি বিক্রম স্যার। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা।
গোখলে ১৯৯০ সালের অমিতাভ বচ্চন-অভিনীত 'অগ্নিপথ' এবং ১৯৯৯ সালের সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন অভিনীত 'হাম দিল দে চুকে সানাম' সহ বেশ কয়েকটি মারাঠি এবং বলিউডের ফটোতে অভিনয় করেছেন। মারাঠি সিনেমাতেও যথেষ্ট কাজ করেছেন বিক্রম। ২০১০ সালে, তিনি মারাঠি ফ্লিম অনুমতিতে সেরা অভিনেতার জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন। মারাঠি ছবি আঘাট দিয়েও তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
টেলিভিশনে উনি ‘ঘর আজা পরদেশী’, ‘আল্পভিরাম’, ‘জানা না দিল সে দূর’, ‘সঞ্জীবনী’, ‘ইন্দ্রধনুষ’-এর মতো জনপ্রিয় শোতে কাজ করেছেন।
প্রবীণ অভিনেতা ১৯৭১ সালে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত 'পারওয়ানা' দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। বিক্রম গোখলেকে শিল্পা শেঠি এবং অভিমন্যু দাসানি অভিনীত 'নিকমা'-তে লক্ষ্য গিয়েছিল যা এই বছরের জুন মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।


