নিরাপত্তা চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন সাগরদিঘির নব নির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস ।বাইরনের অভিযোগ, বিধায়ক হওয়ার পর থেকেই ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।
জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকেও। কিন্তু ফল না হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হলেন। আগামী সোমবার এই আবেদনের শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।বাইরন জানান, সাগরদিঘির উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি ফোন পাচ্ছেন। প্রথমে কলকাতা পুলিশকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতর এমনকি অমিত শাহকেও চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছিলেন। কিন্তু ফোন আসা বন্ধ হয়নি।সাগরদিঘির উপনির্বাচনে তৃণমূলের হার বাংলার রাজনীতিতে কার্যত গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থীর বাইরন বিশ্বাসের কাছে এই আসনের উপনির্বাচনে ২৩ হাজার ভোটে হেরেছে তৃণমূল। সংখ্যালঘু অধ্যুসিত সাগরদিঘিতে তৃণমূল এভাবে মুখ থুবড়ে পড়ায় ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ চলছেই। সম্প্রতি মালদহের ইংরেজবাজারের সভা থেকে সাগরদিঘির ভোটে টাকা ব্যবহারেরও ইঙ্গিত দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেছিলেন, 'টাকা দিয়ে লোক কেনা!
সাগরদিঘির কেস আমি জানি। টাকাটা কে দিয়েছে, কী করে দিয়েছে, কোথা থেকে দিয়েছে!'ফেব্রুয়ারি মাসেই উপনির্বাচন হয় মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে। ফল প্রকাশের এক মাসের মধ্যেই উপনির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার-সহ আরও ৩ জন আমলাকে বদলির নির্দেশ দিয়েছিল নবান্ন।


