সিনেমা জগতের অন্যতম স্রষ্টা মৃনাল সেনের জন্ম শতবর্ষ স্মরণ করলো পশ্চিমবঙ্গ লেখক শিল্পী সংঘ পশ্চিম বর্ধমান জেলা কমিটি। একটি ভিউস নাও প্রতিবেদন ।।দুর্গাপুরের নেতাজি ভবনে সকাল থেকেই সেজে ওঠে সমাজের বিমূর্ত ভাবনার বহিপ্রকাশ ঘটালেন তারা ,সকালে উদ্বোধন হলো চিত্র প্রদর্শনী মৃনাল সেন এর বিভিন্ন ছায়াছবির অংশ বিশেষ পোস্টারে সাজিয়ে তোলে গোটা ভবন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে দুর্গাপুরের অন্যতম জনপ্রিয় কবি ও সাহিত্যিক সুশীল নাগের আকস্মিক প্রয়ানে শোকস্তব্ধ সাহিত্যিক মহল।তার স্মৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করা হয় এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে।
এই কাজে এগিয়ে আসে দুর্গাপুরের আর্টিস্টদের সংগঠন সিক্স ডাইমেনশন।তাদের যোগ্য সহায়তায় গোটা ভবনের চিত্র বদলে যায় যেন মৃনাল সেনকে ফিরে পাচ্ছিল গোটা ভবন।চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জেলার অন্যতম নেতৃত্ব সুকোমল ঘোষ।এরপরে বিকেলে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান দুর্গ্গাপুরের সুর পরিষদের অন্যতম মুখ আনন্দিতা রায়।তার সুমধুর কণ্ঠে গোটা ভবনের চত্বর যেন টাইম মেশিনে ফিরে যাওয়া।মৃনাল সেনের পরিচালিত সিনেমা থেকে তার নির্বাচিত গানগুলি দর্শকদের মোহিত করে তোলে।
এরপরেই মঞ্চে ডেকে নেওয়া হয় দুর্গাপুরের ইস্পাত অঞ্চলের প্রবীন সাহিত্যিক পার্থ বসু ঠাকুরকে।অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান বক্তা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মানস ঘোষ ।তাদের সমবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।সুচিন্তিত বক্তব্য রাখেন মানসবাবু তিনি মৃনাল সেনের পরিচালিত সিনেমা গুলির সামাজিক ভাবনার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
অস্থির সময়ের মধ্যবিত্ত সমাজের ঘরে সেই যন্ত্রনা ফুটিয়ে তুলতে তিনি অনেকটাই সফল। বর্তমান সময়ে ফ্লিমে উঠে আসে না সেই ভাবনা হারিয়ে যাচ্ছে যন্ত্রণার অনুভূতি তাই বারবার মৃনাল সেনের কাছে ফিরে আসতেই হয়।তার বক্তব্যের সাথে সাথে দর্শকরাও পৌঁছে যায় ভাবনার অন্দরমহলে সেই অর্থে অনুষ্ঠানের একশো শতাংশ সফল।
বক্তব্যের সাথে সাথে সিক্স ডাইমেনশন এর সদস্যরা তাদের তুলির টানে ফুটিয়ে তুললেন অস্থির সময়ের ভাবনা গুলো। তাদের সমবর্ধনা জ্ঞাপন করেই শুরু হয় পদাতিক সিনেমা।দুর্গাপুরের বুকে বহুদিন পর এই ধরণের অনুষ্ঠান এক সুস্থ চেতনার ভাবনার উন্মেষ ঘটলো।










