কয়েক মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনসেশন হয়ে ওঠেন নন্দিনী। কলকাতার ডালাহৌসি এলাকার নন্দিনীর বাবার একটি পাইস হোটেল রয়েছে। বাবার হোটেলে সাহায্য করেন মেয়ে নন্দিনী। জিন্স-টি শার্ট পড়া যুবতী নন্দিনীর ভাতের হোটেলে এলেই ফুড ভ্লগারদের ছড়াছড়ি। সাক্ষাৎকার দিতে দিতেই মমতা গাঙ্গুলী ওরফে নন্দিনী গাঙ্গুলী খাবার পরিবেশন করেন।
নন্দিনী দিদি অফিসিয়াল নামে একটি youtube চ্যানেল খুলেছেন নন্দিনী। মাত্র মাস চারেকের মধ্যেই ১৫ হাজার ফলোয়ার্স হয়ে গেছে সেই ইউটিউব চ্যানেলে। ওই ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও রয়েছে ২৭টি। দিদি নম্বর ১ নিয়েই প্রথমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন নন্দিনী নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। বিয়ে বাড়ির ভ্লগ, বিভিন্ন মেলা থেকে শুরু করে নানান ধরনের ভিডিও পোস্ট করতে শুরু করেন তিনি।
বিভিন্ন ইউটিউবার ব্লগারদের অতিরিক্ত আনাগোনাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নন্দিনী দিদি। তাঁকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের অতিরিক্ত মাতামাতি কারোরই পছন্দ হচ্ছে না। এমনকি নিজেও এই বিষয়টা খুব যে পছন্দ করছেন নন্দিনী এমনটাও নয়। সম্প্রতি এবার চোখে জল নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুরে তিনি এক ইউটিউবারকে জানালেন, এবার হয়তো তাদের এই ভাতের হোটেল বন্ধ করে দিতে হবে।
সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে নন্দিনী দিদি বলছেন, "দু দিন পর তোরা হয়তো আমাকে এখানে না-ও দেখতে পারিস"। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি তার পাইস হোটেল অন্য কোথাও করবেন? নাকি পুরোপুরি হোটেল তুলে দিয়ে অন্য কোন কাজে নিযুক্ত হবেন। ফুটপাথ থেকে তাঁকে জোর করে উঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে কি না সেই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
খোলসা করে কিছু না বললেও নন্দিনী জানিয়েছেন, "বলব, বলব… তোদের সবাইকে জানাব। আছে এরকম কিছু জিনিস। তোদের সব ইউটিউবারকেই ফোন করব। বসব। তোদের জন্যই তো আমি আজ এখানে। নন্দিনী থেকে নন্দিনী দিদি হয়েছি। পাঁচজন থেকে পঞ্চাশজন, একশোজন-দেড়শো জন (গ্রাহক), যাই পেয়েছি তোদের জন্যই পেয়েছি। তোদের জন্যই আজকে আমি"। নন্দিনী আরোও বলেন, "যখনই দেখি না কেউ বাড়ছে, আমরা তাকে টেনে নামানোর চেষ্টা করি। তবে কথাতেই তো আছে রাখে হরি মারে কে। কপালে যা আছে তা তো হবেই"।


