" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে অস্থিরতা, টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে ডলার; ভারতের বাজারে রুপির নতুন দর //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যে অস্থিরতা, টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে ডলার; ভারতের বাজারে রুপির নতুন দর

 


অর্থনীতি ডেস্ক:

বিশ্ব অর্থনীতিতে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রভাবে ভারতীয় রুপির মান ও তেলের মূল্যে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হয়েছে।

ডলার বনাম রুপি: বর্তমান চিত্র

সর্বশেষ বাজার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১ মার্কিন ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২.২৭ ভারতীয় রুপি। সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, ১ ডলার সমান ৯২.২৬৭৫ রুপি। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার পরিবর্তন এবং ভারতের বাণিজ্যিক ভারসাম্যের মতো অর্থনৈতিক কারণগুলো এই দর ওঠানামার পেছনে কাজ করছে।

জ্বালানি তেলের বাজারে আগুন

হরমুজ প্রণালীতে নৌ-চলাচলে বাধা এবং উৎপাদন হ্রাসের ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে।

  • ডব্লিউটিআই (WTI) ক্রুড: ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০৮.৫৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা মাত্র একদিনে ১৯.৪৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • ব্রেন্ট ক্রুড: একইভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৭.৪৮ ডলারে ঠেকেছে।

  • ভারতীয় বাজার: ভারতে এমসিএক্স (MCX) অপরিশোধিত তেলের দাম ৯ মার্চ প্রায় ২১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০,১১৯ রুপিতে লেনদেন হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা এবং ওপেক প্লাস (OPEC+) ভুক্ত দেশগুলোর সরবরাহ কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে তেলের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ওপেক প্লাস-এর উৎপাদন নীতি

বাজার স্থিতিশীল রাখতে সৌদি আরব, রাশিয়া এবং কুয়েতের মতো প্রধান উৎপাদনকারী দেশগুলো ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তেলের উৎপাদন সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। তবে ইরান সংকটের মাঝে সরবরাহ ঠিক রাখতে আগামী এপ্রিল থেকে দৈনিক ২ লক্ষ ৬ হাজার ব্যারেল তেল অতিরিক্ত উৎপাদনের একটি মাঝারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পূর্বাভাস

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি আগামী ১২ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম আগামী এক বছরে ব্যারেল প্রতি ১০১ ডলারের উপরে থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সংকটের সরাসরি প্রভাব ভারতের মুদ্রাস্ফীতি এবং আমদানিকৃত পণ্যের ওপর পড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies