মুম্বই, ১৩ এপ্রিল ২০২৬: ভারতীয় সংগীত জগতের একটি যুগের অবসান ঘটল।
শেষ মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহ
গত ১১ এপ্রিল বুক ব্যথার সমস্যা এবং প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং তাঁকে আইসিইউ-তে (ICU) স্থানান্তরিত করা হয়।
শোকাতুর দেশ
আশা ভোসলের প্রয়াণে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস সহ রাজনৈতিক ও বিনোদন জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। আজ বিকেল ৪টেয় মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
এক নজরে আশা ভোসলের বর্ণাঢ্য জীবন
আশা ভোসলে ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।
বিস্ময়কর রেকর্ড: ২০টিরও বেশি ভাষায় ১২,০০০-এর বেশি গান গেয়েছেন তিনি। ২০১১ সালে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাঁকে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি গান রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
ভার্সাটাইল গায়িকা: হিন্দি চলচ্চিত্রের আইটেম নম্বর থেকে শুরু করে গজল, ভজন, পপ এমনকি রবীন্দ্রসংগীত—সবতেই ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ।
পুরস্কার ও সম্মান: তিনি ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মবিভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত হন। এছাড়া একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড রয়েছে তাঁর ঝুলিতে।
বিখ্যাত কিছু গান: ‘পিয়া তু আব তো আজা’, ‘দম মারো দম’, ‘ইন আঁখো কি মাস্তি’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’র মতো অজস্র গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে রাখবে।
১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি।


