" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory ভারতে দলভাঙার ইতিহাস ও বাংলায় তৃণমূলের সংকট: নির্বাচন কমিশনের দরজায় দুই শিবির //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

ভারতে দলভাঙার ইতিহাস ও বাংলায় তৃণমূলের সংকট: নির্বাচন কমিশনের দরজায় দুই শিবির

 


বিশেষ প্রতিবেদন | ২ জুলাই, ২০২৬ | নয়াদিল্লি ও কলকাতা

ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে দলভাঙা কোনো নতুন ঘটনা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত একের পর এক রাজনৈতিক দল অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ভেঙে পড়েছে। কখনো ক্ষমতার লড়াই, কখনো আদর্শগত বিরোধ, কখনো বা ব্যক্তিত্বের সংঘাত — এই সব কারণে ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্র বারবার পরিবর্তিত হয়েছে। আর এখন সেই পুরনো ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে পশ্চিমবঙ্গে — তিন দশকের পুরনো দল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বুকে। দিল্লিতে ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) পূর্ণ বেঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে বিদ্রোহী শিবির দাবি করছে — "আমরাই আসল তৃণমূল।"


প্রথম অধ্যায়: ভারতে দলভাঙার ঐতিহাসিক পটভূমি

১৯৬৪ — সিপিআই ভাঙন ও সিপিআই(এম)-এর জন্ম

ভারতের সংগঠিত রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথম উল্লেখযোগ্য দলভাঙার ঘটনা ঘটে ১৯৬৪ সালে, যখন ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই) থেকে একটি বামপন্থী অংশ বেরিয়ে এসে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট) বা সিপিআই(এম) গঠন করে। বিচ্ছিন্ন অংশটি নির্বাচন কমিশনের কাছে স্বীকৃতি চাইলে কমিশন অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল ও পশ্চিমবঙ্গে তাদের সমর্থিত সাংসদ ও বিধায়কদের প্রাপ্ত ভোটের হিসাব কষে সিপিআই(এম)-কে স্বীকৃত দল হিসেবে মেনে নেয়।

১৯৬৯ — ইন্দিরা বনাম সিন্ডিকেট: কংগ্রেসের প্রথম ভাঙন

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম বিভাজন ছিল দেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতি জাকির হুসেনের মৃত্যুর পর ইন্দিরা গান্ধী ও দলের পুরনো নেতৃত্ব — যাদের 'সিন্ডিকেট' বলা হতো (কামরাজ, এস. নিজলিঙ্গাপ্পা প্রমুখ) — এর মধ্যে চরম বিরোধ তৈরি হয়। দল ভেঙে গেল কংগ্রেস (ও) এবং কংগ্রেস (জে) নামে। কংগ্রেস (জে), যার নেতৃত্বে ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী, সংসদ ও সারা দেশের সাংগঠনিক মঞ্চে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে। নির্বাচন কমিশন ১৯৭১ সালের ১১ জানুয়ারি কংগ্রেস (জে)-কে আসল ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এইচ.আর. খান্নার নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ সাদিক আলি বনাম ভারতের নির্বাচন কমিশন মামলায় ১৯৭১ সালে রায় দেয় যে, নির্বাচনী প্রতীক দলের সম্পত্তি নয়, এবং নির্বাচন কমিশনের দুই-শাখা পরীক্ষা (Two-Wing Test) সম্পূর্ণ সাংবিধানিক ও বৈধ। এই রায় আজও দলভাঙার ক্ষেত্রে মূল নজির হিসেবে বিদ্যমান।

১৯৮৭ — এআইএডিএমকে-র ত্রিকোণ সংকট

তামিলনাডুতে ১৯৮৭ সালে এম.জি. রামচন্দ্রনের (এমজিআর) মৃত্যুর পর এআইএডিএমকে দু'ভাগ হয়ে যায়। এমজিআরের স্ত্রী জানকির নেতৃত্বাধীন অংশে ছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ সাংসদ-বিধায়ক, আর জয়ললিতার পক্ষে ছিল দলের সাংগঠনিক কাঠামো। দুই পক্ষেই সমান দাবি থাকায় নির্বাচন কমিশনকে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত একটি আপোস-মীমাংসায় সেই বিরোধ মিটে যায়।

১৯৯৮ — মমতার কংগ্রেস থেকে বিদ্রোহ ও তৃণমূলের জন্ম

এই প্রসঙ্গটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ — কারণ আজ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলভাঙার শিকার হচ্ছেন, তিনি নিজেও এক সময়ে কংগ্রেস ভেঙেই নিজের দল তৈরি করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গড়ে তোলেন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশন তখন সিদ্ধান্ত নেয় যে, বিচ্ছিন্ন অংশকে নতুন দল হিসেবে নথিভুক্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে নিজেদের নির্বাচনী পারদর্শিতার ভিত্তিতেই স্বীকৃতি পেতে হবে।

২০১৭ — সমাজবাদী পার্টির পারিবারিক যুদ্ধ

উত্তরপ্রদেশে ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে সমাজবাদী পার্টিতে অখিলেশ যাদব ও শিবপাল যাদবের মধ্যে তুমুল দ্বন্দ্ব শুরু হয়। শিবপাল আলাদা হয়ে সমাজবাদী সেকুলার মোর্চা গঠন করেন। পরবর্তীকালে এলজেপি, শিবসেনা ও এনসিপি-তেও একই ধরনের ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে।

২০২২-২৪ — শিবসেনা ও এনসিপি: মহারাষ্ট্রের নজির

সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলভাঙার নজির হলো মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপি-র বিভাজন। ২০২২ সালে একনাথ শিন্ডে শিবসেনার সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক নিয়ে উদ্ধব ঠাকরে-র সরকার ফেলে দেন। নির্বাচন কমিশন ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিন্ডে গোষ্ঠীকে 'শিবসেনা' নাম ও 'ধনুকবাণ' প্রতীক দেয়। উদ্ধব শিবিরকে নতুন নাম নিতে হয়। ২০২৩-২৪ সালে এনসিপি ভাঙলে অজিত পাওয়ার শরদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে জিতে যান।


দ্বিতীয় অধ্যায়: নির্বাচন কমিশনের আইনি কাঠামো

প্রতীক আদেশ, ১৯৬৮ এবং 'দুই-শাখা পরীক্ষা'

ভারতের নির্বাচনী প্রতীক (সংরক্ষণ ও বরাদ্দ) আদেশ, ১৯৬৮-এর ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো স্বীকৃত রাজনৈতিক দল ভাঙলে এবং একাধিক পক্ষ দলের নাম ও প্রতীকে দাবি জানালে, নির্বাচন কমিশন সেই বিরোধ নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। এই ক্ষেত্রে কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করে তাকে বলা হয় 'দুই-শাখা পরীক্ষা' (Two-Wing Test):

  • আইনসভা শাখা: দলের নির্বাচিত সাংসদ ও বিধায়কদের মধ্যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি
  • সাংগঠনিক শাখা: দলের সাংগঠনিক কাঠামো — জাতীয় কার্যকরী সমিতি, রাজ্য কমিটি, প্রতিনিধিদল — কোন পক্ষকে সমর্থন করছে

উভয় শাখায় যে পক্ষ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারবে, তারাই দলের নাম ও প্রতীক পাবে। কোনো পক্ষ যদি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারে, তবে কমিশন প্রতীক স্থগিত রেখে উভয় পক্ষকে পৃথক নামে নতুন দল গঠনের নির্দেশ দিতে পারে।


তৃতীয় অধ্যায়: বাংলায় তৃণমূলের ভাঙন — ২০২৬-এর রাজনৈতিক ভূমিকম্প

২২ জুন ২০২৬ — বিদ্রোহী অধিবেশন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পর দলের ভেতরে ধীরে ধীরে ক্ষোভ জমতে থাকে। অবশেষে ২০২৬ সালের ২২ জুন একটি বিশেষ অধিবেশনে বিদ্রোহী বিধায়কদের একটি বড় অংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করে। সেই অধিবেশনে আরূপ রায়-কে নতুন দলীয় সভাপতি নির্বাচন করা হয় এবং একটি নতুন জাতীয় কার্যকরী সমিতি গঠন করা হয়। বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্বে রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়

২৭ জুন — প্রাক্তন কাউন্সিলরদের সাথে বৈঠক

বিদ্রোহীরা তাঁদের শক্তি প্রদর্শন জারি রাখেন। ২৭ জুন তাঁরা প্রাক্তন কলকাতা পৌরসভা (KMC) কাউন্সিলরদের সাথে সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেন। আসন্ন পৌরনির্বাচনের আগে এই বৈঠককে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু বিদ্রোহী বিধায়কদের গোষ্ঠীকে বিধানসভায় প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।

২ জুলাই — দিল্লিতে ইসিআই পূর্ণ বেঞ্চের সামনে বিদ্রোহীরা

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নয়াদিল্লির আশোকা রোডে নির্বাচন সদনে (Nirvachan Sadan) পৌঁছায়। সেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে গঠিত পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁরা বৈঠক করেন। প্রতিনিধিদলে ঋতব্রত ছাড়াও ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী স্নেহাশীষ চক্রবর্তী সহ নয়জন বিদ্রোহী বিধায়ক।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন:

"আমরাই তৃণমূল কংগ্রেস, কারণ আমাদের কাছে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক, কাউন্সিলর এবং জেলা পরিষদ সদস্যরা আমাদের সঙ্গে আছেন। নির্বাচন কমিশন আমাদের মনোযোগ দিয়ে শুনেছে। আমরা আশাবাদী যে কমিশন শীঘ্রই আমাদের জানাবে।"

বিদ্রোহী শিবির ২২ জুনের বিশেষ অধিবেশনের পর পরই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতরে লিখিতভাবে দলের নাম ও 'জোড়া ঘাস ফুল' প্রতীকের দাবি জানিয়েছিল।

মমতা শিবিরের পাল্টা পদক্ষেপ

অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরও বসে নেই। তাঁরা নির্বাচন কমিশনে দলের প্রকৃত জাতীয় কার্যকরী সমিতির তালিকা পাঠিয়েছে, যেখানে রয়েছেন —

  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় — সভাপতি
  • অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় — জাতীয় সাধারণ সম্পাদক
  • ডেরেক ও'ব্রায়েন ও ডোলা সেন — যুগ্ম সম্পাদক
  • সুভাশীষ চক্রবর্তী — কোষাধ্যক্ষ
  • সোভনদেব চট্টোপাধ্যায় — বিধানসভায় দলীয় নেতা

মমতা শিবির বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দুটি পুলিশ অভিযোগও দায়ের করেছে এবং তাদের 'মিথ্যা নথি প্রচার' ও 'অননুমোদিত বৈঠক' করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

সংসদে বিভাজন

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে লোকসভায়। তৃণমূলের ২৮ জন সাংসদের মধ্যে ২০ জন একটি ছোট দল 'ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন পার্টি অব ইন্ডিয়া'-তে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। দলের তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে মোট ₹৪৪০ কোটি টাকা — উভয় শিবিরই সেই অর্থের দাবিদার।


চতুর্থ অধ্যায়: ২১ জুলাই 'শহিদ দিবস' ঘিরে উত্তেজনা

তৃণমূলের ঐতিহ্যবাহী ২১ জুলাই শহিদ দিবস এবারও একটি বড় সংকটে পরিণত হয়েছে। উভয় শিবির এসপ্ল্যানেডে পৃথক সমাবেশ করার অনুমতি চাইলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ উভয় পক্ষকেই সেই অনুমতি প্রদান করতে অস্বীকার করেছে। ফলে আগামীকালের সমাবেশ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।


পঞ্চম অধ্যায়: ইতিহাসের সাথে তুলনা

ভারতীয় দলভাঙার দীর্ঘ ইতিহাসের সাথে বর্তমান তৃণমূল পরিস্থিতির তুলনা করলে কিছু চমকপ্রদ মিল খুঁজে পাওয়া যায়:

ঘটনা সময়কাল মূল বিষয় ECI-র ভূমিকা
কংগ্রেস ভাঙন ১৯৬৯ ইন্দিরা বনাম সিন্ডিকেট কংগ্রেস (জে)-কে আসল দল ঘোষণা
এআইএডিএমকে ১৯৮৭ এমজিআর মৃত্যু-পরবর্তী আপোসের মাধ্যমে মিটমাট
শিবসেনা ভাঙন ২০২২-২৩ শিন্ডে বনাম উদ্ধব শিন্ডে গোষ্ঠীকে প্রতীক
এনসিপি ভাঙন ২০২৩-২৪ অজিত বনাম শরদ অজিত গোষ্ঠীকে প্রতীক
তৃণমূল ভাঙন ২০২৬ ঋতব্রত বনাম মমতা বিচার চলছে

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, এই ভাঙনে এমন এক নেতা শিকার হয়েছেন যিনি নিজেই একসময় অন্য একটি দল ভেঙে তৃণমূল গড়েছিলেন — এটি ভারতীয় রাজনীতির এক নিষ্ঠুর বৃত্তাকার পরিহাসের প্রতীক।


বিশেষজ্ঞ মন্তব্য ও সামনের পথ

নির্বাচন কমিশন এখন যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে তা দীর্ঘমেয়াদী। শিবসেনা ও এনসিপির ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে মাসের পর মাস সময় লেগেছিল। তৃণমূলের ক্ষেত্রেও —

  • কমিশন উভয় পক্ষকে আলাদাভাবে শুনবে
  • দলীয় সংবিধান, সদস্যপঞ্জি, বৈঠকের কার্যবিবরণী, শপথনামা ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের তালিকা পরীক্ষা করবে
  • দুই-শাখা পরীক্ষা প্রয়োগ করবে
  • যদি কোনো পক্ষ স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায়, তবে 'জোড়া ঘাস ফুল' প্রতীক স্থগিত করে উভয় পক্ষকে নতুন নামে নথিভুক্ত হতে বলা হতে পারে

উপসংহার

ভারতীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে দলভাঙা একটি নিয়মিত ঘটনা হলেও প্রতিটি ভাঙনই এক-একটি রাজনৈতিক যুগের সমাপ্তি বা নতুন সূচনার সংকেত বহন করে। ১৯৬৯ সালে কংগ্রেসের বিভাজন থেকে শুরু করে ২০২৬ সালে তৃণমূলের সংকট — ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রতিবারই আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক বিচারের নজির স্থাপন করেছে। 'জোড়া ঘাস ফুল' এখন কার হাতে থাকবে — মমতার, নাকি ঋতব্রতের — সেই রায়ের জন্য বাংলা তথা গোটা ভারত অপেক্ষায় আছে।


📌 সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য হিন্দু, ইটিভি ভারত | তারিখ: ২ জুলাই, ২০২৬

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies