" " //psuftoum.com/4/5191039 Live Web Directory ১৯৪০ সালের বিরল ছবি ঘিরে আলোচনা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নির্বাসিত পোলিশ সেনাদের বীরত্বগাথা //whairtoa.com/4/5181814
Type Here to Get Search Results !

১৯৪০ সালের বিরল ছবি ঘিরে আলোচনা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নির্বাসিত পোলিশ সেনাদের বীরত্বগাথা

 



সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট @wars-এ প্রকাশিত ১৯৪০ সালের একটি ঐতিহাসিক সাদা-কালো ছবি ইতিহাসপ্রেমীদের নজর কেড়েছে। ছবিতে ফ্রান্সে অবস্থানরত 'পোলিশ লিজিয়ন'-এর সৈন্যদের দেখা যাচ্ছে। ১৯৩৯ সালে জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা সেনাদের নিয়েই গঠিত হয়েছিল 'পোলিশ আর্মড ফোর্সেস ইন দ্য ওয়েস্ট'।

প্রায় ১,৯৫,০০০ থেকে ২,৫০,০০০ সৈন্যের এই নির্বাসিত বাহিনীটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভিন্ন রণক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল:

  • ব্যাটল অফ ব্রিটেন: ব্রিটেনের আকাশে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (RAF) শীর্ষ সাফল্য অর্জনকারী বিমান স্কোয়াড্রনগুলোর মধ্যে পোলিশ পাইলটরা ছিলেন অন্যতম।

  • মন্টে ক্যাসিনো দখল: ইতালি অভিযানে কঠিন লড়াইয়ের পর পোলিশ ২য় কর্পস কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'মন্টে ক্যাসিনো' দখল করতে সক্ষম হয়।

  • ফালাইজ পকেট ও নৌ বহর: ১ম আর্মার্ড ডিভিশন ইউরোপে জার্মান বাহিনীকে কোণঠাসা করতে 'ফালাইজ পকেট' রুদ্ধ করায় বড় অবদান রাখে। পাশাপাশি পোলিশ নৌবাহিনী সমুদ্রপথে মিত্রশক্তির গুরুত্বপূর্ণ কনভয়গুলোকে সুরক্ষা দেয়।

  • এনিগমা কোড উদ্ধার: যুদ্ধ শুরুর আগেই পোলিশ ক্রিপ্টোলজিস্টরা (সাংকেতিক লিপিকার) বিখ্যাত জার্মান 'এনিগমা' এনক্রিপশন কোড ভাঙার প্রাথমিক সাফল্য অর্জন করেছিলেন, যা মিত্রশক্তিকে গোয়েন্দা তথ্যে অনেক এগিয়ে দেয়।

যুদ্ধের ময়দানে এমন অসামান্য অবদান থাকা সত্ত্বেও পোলিশ সেনাদের শেষ পরিণতি ছিল অত্যন্ত ট্র্যাজিক। যুদ্ধ পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে নিজেদের মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা এই বীর সেনাদের অনেকেই আর কোনোদিন নিজ দেশে ফিরতে পারেননি; জীবনের বাকি সময়টা তাঁদের নির্বাসনেই কাটাতে হয়।

Top Post Ad

Below Post Ad

Hollywood Movies