বিজেপির অন্দরে ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক জেপিন আড্ডা এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব পরিবর্তন করা হবে।"
আড্ডার এই বক্তব্যের পর থেকেই বিজেপির অন্দরে জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও, বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদেও পরিবর্তন আনা হতে পারে।
বিজেপির অন্দরে রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার কারণ হল, , বিজেপির পঞ্চায়েত নির্বাচনেও খারাপ ফল হয়েছে।
বিজেপির রদবদল কবে হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে, বিজেপির অন্দরে ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিজেপির অন্দরে রদবদল হলে তা রাজনীতিতে বড় চমক হবে। বিজেপির ভবিষ্যৎ কী হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে, বিজেপির রদবদল রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় অর্থ সাহায্য নিয়ে কিছু আপত্তিমূলক মন্তব্য করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যগুলির বিরূপ প্রভাব পড়েছিল গ্রামাঞ্চলে এবং বিজেপির সমর্থনে ভাটা পড়েছিল।
বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন রয়েছে যে উত্তরবঙ্গ থেকে প্রাক্তন বাম নেতা শংকর ঘোষকেই বিরোধী দলনেতার পদ দেওয়া হতে পারে। এ নিয়ে বিজেপির অন্দরে চাপান উতোর শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিজেপির বিধায়ক শংকর ঘোষ বিজেপির সমস্ত কর্মসূচিতেই বেশ কিছুদিন ধরে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। এতে অনেকেই মনে করছেন যে শংকর ঘোষকেই বিরোধী দলনেতার পদ দেওয়া হতে পারে।
যদি শংকর ঘোষকেই বিরোধী দলনেতার পদ দেওয়া হয়, তাহলে তা শুভেন্দু অধিকারীর জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে। অধিকারী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে জয়ী হয়ে বিরোধী দলনেতা হন। তিনি বিজেপির ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে বিবেচিত হন।
যদিও শুভেন্দু অধিকারী অনুগামীদের বক্তব্য যদি 2024 এ বিজেপির খারাপ ফল হয় তাহলে বিজেপি রাজ্য সভাপতির তারপরও মূল্য থাকবে না বঙ্গে।যদিও রাজনৈতিক মহলের মতে এই ঘটনায় এই জল্পনায় প্রমাণ করছে শুভেন্দু অধিকারীর ডানা ছাড়া শুধুমাত্র এখন সময়ের অপেক্ষা


