কলকাতা, ২৮ মে ২০২৬ — পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরেই জট পাকিয়েছে বিতর্ক। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ৬ মে সর্বসম্মতভাবে বেছে নেওয়া হলেও, পরিষদীয় দলের চিঠিতে স্বাক্ষরের অসঙ্গতি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে রাজ্য পুলিশের CID।
বিতর্কের মূল কারণ
বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রীথ বসু শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য রেজোলিউশন চেয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরোক্ষ সমর্থনের পর ৬ মে কালীঘাট বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে শোভনদেবকে বেছে নেওয়া হয়।
তবে বিধানসভার সচিবালয়ে জমা দেওয়া পরিষদীয় দলের চিঠিতে স্বাক্ষরের অসঙ্গতি দেখা যায়। কিছু বিধায়ক দাবি করেন যে চিঠিতে তাদের হস্তাক্ষর নেই। এই অভিযোগে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন।hindustantimes+1
CID-র হানা ৪ বিধায়কের বাড়িতে
রাজ্য পুলিশের CID গত ২৬-২৭ মে নিচের তৃণমূল বিধায়কদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে তদন্ত শুরু করে:
বাহারুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন: "রেজোলিউশনে সই তাঁর নয়"।
বর্তমান অবস্থা
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এখনও বিরোধী দলনেতার মর্যাদা পাননি।
বিধানসভার সচিব জানিয়েছেন, নথির অভাবে এখনও বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি।
CID লালবাজারের হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করছে।
২৮ মে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যwide রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
কেন এত গুরুত্ব?
বিধানসভার স্পিকার রেজোলিউশন গ্রহণ করলে তবেই কোনও বিধায়ক বিরোধী দলনেতার মর্যাদা পান। এই প্রক্রিয়ায় অসঙ্গতি থাকলে মর্যাদা দিতে বিলম্ব হয়।


